Terracotta Diya: টুনি বাল্বের সঙ্গে পাল্লা দিতে ময়দানে টেরাকোটা শিল্পীরা! দীপাবলির বাজার মাতাতে আসছে ‘ম্যাজিক প্রদীপ’
এই টুনিবাল্পের দৌড়ত্বে প্রতিবছর মার খেয়েছে জেলার সাবেকি প্রদীপ শিল্পীরা।
সত্যেন মহন্ত, উত্তর দিনাজপুর: হাতে আর কয়েক দিন তার পর আপাময় দেশ বাসি আলোর উৎসব অর্থাৎ দীপাবলি উৎসবে মেতে উঠবেন। ডিজিটাল আলো কেন্দ্র করে বাজার মাতিয়েছে রংবেরঙ্গের বৈদ্যুতিক লাইট। যা টুনিবাল্প নামে পরিচিত। এই টুনিবাল্পের দৌড়ত্বে প্রতিবছর মার খেয়েছে জেলার সাবেকি প্রদীপ শিল্পীরা। আর তাই টুনিবাল্পের সঙ্গে পাল্লা দিতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছেন উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ ব্লকের মুস্তফানগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কুনোরের হাটপাড়া গ্রামের টেরাকোটা শিল্পীরা (Terracotta Diya)।
তাঁরা সাবেকী প্রদীপ বানানোর পাশাপাশি সাধারন মানুষদের নজর কারতে নতুন টেরাকোটা মডেলের প্রদীপ তৈরি করতে ব্যস্ত রাত দিন। বাকুড়া, বীরভূমের টেরাকোটার আদলে কালিয়াগঞ্জের হাটপাড়ার মৃৎশিল্পীদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। তাই নাওয়া খাওয়া ভুলে এই গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে সকল সদস্য মিলে টেরাকোটার আধুনিক ডিজাইনের প্রদীপ বানিয়ে চলেছেন। তারা নানা ধরনের সুজজ্জিত কালীর সেট প্রদীপ ও দুর্গা সেট প্রদীপ এবং প্রদীপের ঝাড় বা স্ট্যান্ড প্রদীপ ও পঞ্চ প্রদীপ,আলাদিনের প্রদীপ,নারকেল প্রদীপ,ম্যাজিক প্রদীপ, গণেশ প্রদীপ সহ আরো নানা ধরনের প্রদীপ তৈরি করছেন। এবছর এই গ্রামের মৃৎশিল্পীরা কয়েক হাজার এরকম প্রদীপ বানিয়েছেন। তা এখন রোদে শুকিয়ে আগুনে সযত্নে পুড়িয়ে বাজারজাত করার অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানান শিল্পীরা (Terracotta Diya)।
আজ তাঁদের প্রদীপ শুধু জেলার মধ্যেই সিমাবদ্ধ নেই, এরই মধ্যে অন্যান্য জেলা সহ ভিন রাজ্য থেকে হাটপাড়ার মৃত শিল্পীদের কাছে একাধিক ডিজাইনের প্রদীপের অর্ডার এসে পৌঁছেছে। গোটা ভারত বর্ষ জুড়ে যখন মোমবাতি ও টুনিবাল্পের রমরমা ঠিক সেই সময় দাঁড়িয়ে কালিয়াগঞ্জের হাটপাড়ার গ্রামের মৃৎশিল্পীরা বিদেশী মোমবাতি ও টুনিবাল্পকে টেক্কা দিতে বদ্ধপরিকর। তাই এখোন রাত দিন এক করে টেরাকোটা প্রদীপ বানাতে ব্যস্ত হাট পাটার টেরাকোটা মৃৎশিল্পীরা (Terracotta Diya)।






