Spiritual journey: পকেটে কুড়ি টাকা, দন্ডিকেটে তারাপীঠের উদ্দেশ্যে রওনা দিল বলাগড়ের যুবক
Mithun Malik embarks on a spiritual journey— walking 165 km barefoot from Bologar to Tarapith Temple, driven by faith and community support.
Truth Of Bengal: পায়ে হেঁটে নয় , হুগলির বলাগড় থেকে বীরভূমের তারাপীঠ মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা দিল মিঠুন মালিক। ১৬৫ কিলোমিটার পথ দন্ডিকেটে তার পৌঁছোতে সময় লাগবে ১৫ থেকে ২০ দিন। পেশায় দিনমজুর মিঠুন “তারা মায়ের” ভক্ত। তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিল মায়ের কাছে যাবে দন্ডিকেটে(spiritual journey)। কিছুটা আর্থিক কারণে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। তবে এবার হয়তো মা চেয়েছেন তাই শত বাধা বিপত্তি পেরিয়েও তারা মায়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে মিঠুন। সোমবার জিরাট থেকে তারাপীঠের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়েছে বছর ৩৭ এর ওই যুবক। সঙ্গে রয়েছে একটি কালো ব্যাগ, পরনে গেরুয়া পোশাক, গলায় রুদ্রাক্ষের মালা। ব্যাগের উপর তারা মায়ের ছবি। অদম্য মনোবল নিয়ে দন্ডিকেটে এগিয়ে চলেছে মিঠুন। পথে বেরিয়ে পেয়েছেন কিছু মানুষের সাহায্য। কেউ কিনে দিচ্ছে ফুল, ফল, কেউ আবার পায়েতে স্প্রে করে কিছু সুশ্রুসা করছে। কেউ আবার কিনে দিচ্ছে ওষুধ, খাবার। যাতে তার পথে কোন অসুবিধা না হয়। মা, স্ত্রী ও আট বছরের সন্তানকে নিয়ে মিঠুনের সংসার।
মিঠুনের স্ত্রী তাপসী মালিক বলেন, তিন চার বছর ধরে তার মনের ইচ্ছা তারা মায়ের কাছে যাবে দন্ডিকেটে ।কিন্তু আর্থিক সমস্যার কারণে যেতে পারত না। তবে এবারে মনের জোর আর কুড়ি টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়েছে(spiritual journey)। তার মা কিনে দিয়েছে, জামা প্যান্ট। ঈশ্বরের উপর আমাদের সম্পূর্ণ ভরসা রয়েছে, তাই স্বামীর জন্য কোন চিন্তা হবে না। মা আছেন তিনিই রক্ষা করবেন। রাস্তায় বেরিয়ে মিঠুনকে দন্ডিকেটে যেতে দেখে বলাগড়ের সোমড়ার বাসিন্দা ভাস্কর হালদার সহ তার বন্ধুরা। বাইক থেকে নেমেই সেবা- সুশ্রুসা করতে থাকে। ভাস্কর জানায়, রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি ওনাকে। তার মনোবল বাড়াতেই তার পাশে দাঁড়ায় । নিজের ইচ্ছার জোড়েই সে এগিয়ে চলেছে। রাস্তায় যাতে তার কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য আমরা তাকে কিছু আর্থিক সাহায্য করেছি। আশা করবো সে যে উদ্দেশ্য নিয়ে বেরিয়েছে সেটা যেন সফল হয়।
FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal
মিঠুন বলে, স্বপ্ন ছিল তারাপীঠ যেতে হলে দন্ডিকেটে যাব। সেই উদ্দেশ্যে সোমবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েছি। উড়িষ্যায় পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের কাছে রাজমিস্ত্রির কাজ করি(spiritual journey)। সেখান থেকে গত ১০ দিন আগে ফিরেছি। এর আগে কোনদিনও যাইনি, অনেকে বলছে প্রায় ২০০ কিলোমিটার রাস্তা। ফোনের লোকেশন দেখে এগিয়ে যাচ্ছি। অনেকেই আমার পাশে দাঁড়িয়েছে , সাহায্য করছে। ঝড়, বৃষ্টি যাই আসুক মা-ই রক্ষা করবে, তিনিই আমাকে নিয়ে যাবেন তার দুয়ারে।



