বাংলায় শীঘ্রই চালু হতে পারে এসআইআর, কোন কোন নথি প্রস্তুত রাখবেন?
আবার অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছে যে তারা এটি কোনভাবেই হতে দেবে না রাজ্যে।
Truth Of Bengal: স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে উত্তপ্ত বঙ্গ রাজনীতি। একদিকে বিজেপির বক্তব্য, বাংলার মাটিতে এসআইআর হবেই হবে। আবার অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস স্পষ্ট জানিয়েছে যে তারা এটি কোনভাবেই হতে দেবে না রাজ্যে। তবে এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, এর প্রক্রিয়া শুরু হবে আগামী মাসের শুরু থেকেই। এমনটা যদি হয়, তাহলে ভোটের আগে বাংলার রণক্ষেত্রের চেহারা নেওয়ার এক ভালো সম্ভাবনা রয়েছে।
সেক্ষেত্রে প্রশ্ন থাকছে যে যদি এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয় বাংলায়, তাহলে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে কোন নথিগুলি দেখা হতে পারে? তারা দেখতে পারে সরকারি বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার পরিচয়পত্র, কোনও সরকারি নথি যা জারি হয়েছে ১ জুলাই ১৯৮৭ সালের আগে, বার্থ সার্টিফিকেট যা পাওয়া হয়েছে স্ট্যাটিউটরি ইনস্টিটিউশন থেকে, পাসপোর্ট, যে কোনও বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাওয়া এডুকেশনাল কোয়ালিফিকেশন সার্টিফিকেট (তবে তাতে সাল ও তারিখ অবশ্যই থাকতে হবে)। এছাড়া দেখা হতে পারে স্থায়ী বাসিন্দা, বনপালের ও কাস্ট সার্টিফিকেট। পাশাপাশি, প্রমাণ দেখা হতে পারে এনআরসি নথিভুক্তির (যেখানে প্রযোজ্য)। দেখা হতে পারে রাজ্য সরকার বা প্রশাসনের দেওয়া পারিবারিক রেজিস্টার বা জমি বা বাড়ির নথি, যা সরকারের দেওয়া।
প্রসঙ্গত, এসআইআর নিয়ে সংসদের অন্দরে ও বাইরে, দুই জায়গাতেই আওয়াজ তোলা হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফ থেকে। তবে শুধু ঘাসফুল শিবির একা নয়, আওয়াজ তুলেছে অন্যান্য বিজেপি বিরোধী দলগুলিও। সকলেই দাবি করেছে যে এর মাধ্যমে ভোটারদের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বিজেপির তরফ থেকে। অন্যদিকে গেরুয়া শিবির এই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং কেন এটি প্রয়োজন, তা জানিয়েছে।






