সাবেকি প্রতিমা আর রাজবাড়ি থিমে জমজমাট শ্রীরামপুর বটতলা! হরিসভার পুজোয় উপচে পড়ছে ভিড়
এখানকার নিত্যানন্দ হরিসভা ১১৮ বছরের প্রাচীন হলেও এখানে হয়েছিল তারও কিছু পরে পল্লীবাসীরা এখানে মাতৃ আরাধনার সূচনা করেন
তরুণ মুখোপাধ্যায়, হুগলি: আজ থেকে ১১৮ বছর আগে রাম দাস বাবাজি শ্রীরামপুর বটতলা এলাকায় নিত্যানন্দ হরিসভার সূচনা করেছিলেন তা আজ অমলিন, এই হরিসভায় প্রতিবছরের মতন এ বছরও মাতৃ বন্দনা অর্থাৎ দুর্গা পূজার আয়োজন করা হয়েছে। এখানকার নিত্যানন্দ হরিসভা ১১৮ বছরের প্রাচীন হলেও এখানে হয়েছিল তারও কিছু পরে পল্লীবাসীরা এখানে মাতৃ আরাধনার সূচনা করেন । সেই অর্থে এবছর এখানকার পুজো আশি বছরে পদার্পণ করল। শ্রীরামপুর এবং মাহেশ সঞ্চলের প্রাচীন দুর্গোৎসবগুলির মধ্যে এখানকার পুজোটি অন্যতম।
নিত্যদিন এখানে যেমন নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর সাধন ভজন হয় তার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবছর হরিসভার পুজোটি অত্যন্ত নিষ্ঠা ভরে পালিত হয়ে আসছে। এ বিষয়ে বলতে গিয়ে নিত্যানন্দ হরিসভার সভাপতি ধনঞ্জয় হাটি জানালেন এ বছর আমাদের মন্ডপটি তৈরি করা হয়েছে অনিন্দ্য সুন্দর একটি রাজবাড়ীর আদলে, তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এখানকার সাবেকি প্রতিমাও দর্শকদের আকর্ষিত করবে। শ্রীরামপুর বটতলায় এই হরিসভার প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা সাধন ভজন হয় নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর পুজো পাঠ অনুষ্ঠিত ভোগ নিবেদন করা হয় হয় তার সঙ্গে সঙ্গে সারা বছর এখানে নানা ধরনের ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় হয়।
এ বছরও পুজো উপলক্ষে প্রতিদিন সন্ধ্যায় থাকছে নানা ধরনের ভক্তিমূলক সংগীতের আসর প্রথিত জলসা শিল্পীরা পুজোর কদিন এখানে এসে সংগীত পরিবেশন করবেন, এর সঙ্গে সঙ্গে প্রতিদিন আমাদের এখান থেকে মায়ের প্রসাদ বিতরণ করা হয় হবে, প্রতিবছর হাজার জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার মানুষ পূজা মন্ডপে এসে এখানকার প্রাচীন প্রতিমা দর্শন করেন এবং মায়ের আশীর্বাদ নেন, আমরা সবাই সবাই জগৎ জননী দেবী দুর্গার কাছে প্রার্থনা করি সমাজে যে ধরনের অশুভ শক্তি উদয় হয়েছে মা যেন সেই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করে, তার সন্তানদের সংসার সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরিয়ে দেন।






