মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল ও মালতির আত্মসমর্পণ, বিসর্জন বিতর্কে আইন মেনেই পদক্ষেপ: অজয় নন্দা
সিপি-র সাংবাদিক সম্মেলনে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ প্রসঙ্গে এই তথ্য উঠে আসে।
জ্যোতির্ময় দত্ত : কলকাতা মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত মঙ্গল ও মালতি ঝাড়খণ্ড থেকে এসে ঝাড়গ্রাম এলাকায় কাজ করতেন। পরবর্তীতে তাঁরা সারাংদা ও আকাশদের সঙ্গে যুক্ত হন। ২০২৬ সালের জানুয়ারির পর ওই এলাকা থেকে সরে এসে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলের মাথায় পাঁচ লক্ষ টাকা এবং মালতির মাথায় দু’লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।
সিপি-র সাংবাদিক সম্মেলনে মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ প্রসঙ্গে এই তথ্য উঠে আসে। দীর্ঘদিন মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর তাঁদের আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, পুজোর বিসর্জনকে ঘিরে সনাতন ধর্মীয় রীতিনীতি ও প্রচলিত প্রথা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ আধিকারিক জানান, বিসর্জনের আয়োজন মূলত পুজো কমিটিগুলিই পরিচালনা করে। এ ক্ষেত্রে পুলিশের সরাসরি ভূমিকা থাকে না। তবে বিসর্জনের সময় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে থাকলে বা আইনগত কোনও ত্রুটির অভিযোগ ওঠে এবং নির্দিষ্ট ধারায় অভিযোগ দায়ের হয়, তা হলে নিয়ম মেনেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
চোরবাগান সংক্রান্ত তদন্ত নিয়েও সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্ন ওঠে। এ বিষয়ে পুলিশ আধিকারিক জানান, তদন্তের জন্য বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। প্রাক্তন বিচারপতির দায়িত্বে তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকায় এই মুহূর্তে বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।






