নববর্ষে লোকারণ্য তারাপীঠ মন্দির,পরিবারের মঙ্গল কামনা ভক্তদের ভিড়
Tarapeeth Temple in Bengali New Year

The Truth of Bengal: বাঙালি ক্যালেন্ডারের শুরু। পরিবারের মঙ্গল কামনায় যেমন ভক্তরা হাজির মন্দিরে, তেমনই হালখাতা নিয়ে পৌঁছে যান ব্যবসায়ীরা। ভক্তদের ভিড়ে উপচে পড়ে তারাপীঠ মন্দির। সবাই যাতে সুষ্ঠুভাবে পুজো দিতে পারেন, তার জন্য মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে আলাদা করে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ থেকে শৃঙ্খলারক্ষা করার জন্য মন্দির চত্বরে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনেরও এই দিনটির জন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হয়।
বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন মানেই বাঙালি বা ব্যবসায়ীদের কাছে এক আলাদা গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই বিশেষ দিনে বিভিন্ন মন্দিরে ভোর থেকেই থেকেই উপচে পড়ে মানুষের ভিড়। বীরভূমের তারাপীঠেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। বছরের এই প্রথম দিন তারাপীঠ মন্দিরে দূর-দূরান্ত থেকে হালখাতা নিয়ে পুজো দিতে হাজির হন ব্যবসায়ীরা। বছরের শুরুটা যাতে ভাল হয়, সেই জন্য মা তারার কাছে পুজো দিয়ে প্রার্থনা সবাই। শুধু বছরে প্রথম দিন নয়। বছরের অন্যান্য দিনও হাজার হাজার মানুষের মানুষের সমাগম ঘটে তারাপীঠ মন্দিরে। তবে পয়লা বৈশাখের একটা আলাদা মাহাত্ম্য দেখে যায় মন্দির চত্বরে। হাতে ডালা নিয়ে সকাল থেকে মন্দিরে ভিড় করেন সবাই। তবে শুধু ব্যবসায়ীরা নন, বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পুজো দিতে মন্দিরে আসেন বহু সাধারণ মানুষ। সবাই যাতে সুষ্ঠুভাবে পুজো দিতে পারেন, তার জন্য মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে আলাদা করে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ থেকে শৃঙ্খলারক্ষা করার জন্য মন্দির চত্বরে বিশেষ ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ-প্রশাসনেরও এই দিনটির জন্য বিশেষ নজরদারি চালানো হয়।
এমনিতেই সপ্তাহের শেষ দু’দিন অর্থাৎ শনি ও রবিবার ভক্তদের ভিড়ে উপচে পড়ে তারাপীঠ মন্দিরে। এবছর বাংলা নববর্ষ পড়েছে রবিবার। তাই সকাল থেকে ভক্তদের ভিড় উপচে পড়ে মন্দিরে। বছরের প্রথম দিন পরিবারের মঙ্গল কামনায় ভক্তরা যেমন পুজো দেন, তেমনই ব্যবসায়ীরা হালখাতার পুজো দিয়ে ব্যবসায় শ্রীবৃদ্ধি কামনা করেন।






