কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ! সপরিবারে ফেরার স্বর্ণ ব্যবসায়ী
একতলার বিভিন্ন দিকে অন্তত ১০-১২টি দরজা। একে বাড়ি না বলে ‘হাজারদুয়ারী’ বললেও ভুল হবেনা
Truth Of Bengal: শান্তনু পান, পশ্চিম মেদিনীপুর: প্রায় ২-৩ বিঘা জায়গার উপর তিনতলা বাড়ি। উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘেরা। লোহার বিশাল ফটক। গোটা বাড়িটাই সিসিটিভি দিয়ে মোড়া। একতলার বিভিন্ন দিকে অন্তত ১০-১২টি দরজা। একে বাড়ি না বলে ‘হাজারদুয়ারী’ বললেও ভুল হবেনা! বাড়ির মালিক পশ্চিম মেদিনীপুরের (West Midnapore) বেলদার স্বর্ণ ব্যবসায়ী কৌশিক কর্মকার। কোটি কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অভিযোগের পরে, দোকান বন্ধ করে পরিবারসহ পলাতক ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুনঃ দক্ষিণবঙ্গের হাতির মাইগ্রেশন পরিবেশগত পরিবর্তন নয়, সামাজিক অভিঘাত
২ রা সেপ্টেম্বর প্রতারণার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ওই দিন সন্ধ্যায় গীতাঞ্জলি কামিল্যা নামে এক মহিলা বেলদা বাজারের উপর অবস্থিত কৌশিক কর্মকারের ডি.এন ব্রাদার্স জুয়েলার্সে গিয়ে ফেসবুক লাইভের মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগ তোলেন। ওইদিন অবশ্য দোকানে কৌশিক ছিলেন না। অভিযোগ, তার আগেই তিনি গা ঢাকা দেন। (West Midnapore)
FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal
অভিযোগকারীদের মামলার ভিত্তিতে আদালত নির্দেশ দেয়, ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এক সপ্তাহের মধ্যে দোকান সিল করতে হবে। সেই অনুযায়ী, সেইমতোই নারায়ণগড়ের বিডিও কৌশিক প্রামাণিকের উপস্থিতিতে বেলদা থানার পুলিশ দোকান সিল করে দেয়। দু’সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ কৌশিকরা। স্বর্ণব্যবসায়ীর বাড়ির সামনে সব সময়েই দাঁড়িয়ে থাকে চার-পাঁচটি বিলাসবহুল গাড়ি। আছে সুবিশাল গ্যারেজও। বাড়ির পিছনে আছে সুইমিং পুল ধাঁচের বিশাল পুকুর। (West Midnapore)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতারণার পরিমাণ প্রায় ১০ থেকে ১৫ কোটি টাকা। পুলিশের অনুমান, সমস্ত অভিযোগ জমা পড়লে ২০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। শুধু তাই নয়, সম্প্রতি কৌশিক একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকা ঋণ নেন।
পুলিশকে উপযুক্ত তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। অভিযুক্তর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।






