“কষ্ট করলে পরে আরাম পাবেন!”, মধ্যবিত্তের জ্বালানি জ্বালায় প্রলেপ দিলীপের
“কষ্ট করলেই কেষ্ট মিলবে”, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি নিয়ে বিস্ফোরক পঞ্চায়েত মন্ত্রী
Truth of Bengal: শুক্রবার সকাল থেকেই ৩ টাকা মহার্ঘ হয়েছে পেট্রল ও ডিজেল। আমজনতার পকেটে এই টান পড়া নিয়ে যখন চারদিকে সমালোচনার ঝড়, তখনই একেবারে উল্টো সুরে ধরা দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত ও প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। ইকো পার্কে মর্নিং ওয়াকে গিয়ে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আগে কষ্ট করলে, পরে কষ্ট কম হবে।” তাঁর মতে, বিশ্ববাজারের অস্থিরতায় এর থেকে বিকল্প কোনো রাস্তা খোলা ছিল না সরকারের কাছে।
কোম্পানির লোকসান ও প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতা
তেল কোম্পানিগুলোর ক্রমাগত লোকসানের কথা তুলে ধরে দিলীপবাবু বলেন, “হাজার হাজার কোটি টাকা লস করছিল কোম্পানিগুলো। তাদেরও তো ব্যবসা চালাতে হবে।” প্রধানমন্ত্রীর ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ এবং বিলাসিতা কমানোর পরামর্শকে তিনি কোভিডের সময়কার আগাম সতর্কতার সঙ্গে তুলনা করেছেন। মন্ত্রীর দাবি, পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও পশ্চিম এশিয়ার সংকটে আগেভাগে সাবধান হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
“মমতার বিশ্বস্তরাই চোর!”
কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের গ্রেফতারি নিয়ে তৃণমূল নেত্রীকে সরাসরি নিশানা করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যত বিশ্বস্ত লোক রয়েছেন, সবাই দুর্নীতিগ্রস্ত। তিনি রাজনীতিবিদদের চোর বানিয়েছেন, আর চোরেদের রাজনীতিবিদ।” লালবাজারের দুঁদে অফিসারের এই পতন যে শাসকদলের অন্দরের দুর্নীতিরই ফসল, তা এদিন স্পষ্ট করে দেন তিনি।
বুলডোজার ও আইনি দাওয়াই
তপসিয়ার চামড়া কারখানা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া নিয়ে প্রশাসনের যে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে, তাকেও এদিন সমর্থন করেন পঞ্চায়েত মন্ত্রী। বিরোধীদের প্রশ্নের জবাবে তাঁর সপাট উত্তর, “আদালত খোলা রয়েছে। কারও ভুল মনে হলে যেতেই পারেন।” সব মিলিয়ে শুক্রবার সকালে পেট্রলের দাম থেকে দুর্নীতি, সমস্ত ইস্যুতেই রাজ্যের নতুন সরকারের দাপুটে মনোভাব বজায় রাখলেন দিলীপ ঘোষ।





