খেলা

‘মিলছিল না  সম্মান ও সমর্থন’, অবসর নেওয়ার কারণ জানালেন যুবরাজ

প্রাক্তন টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার ইউটিউব শো-তে এসে অবসরের নেপথ্যের মানসিক লড়াইয়ের কথা খোলাখুলি বলেন তিনি।

Truth Of Bengal: অবসর নেওয়ার সাত বছর পর নিজের ক্রিকেট-জীবনের কঠিন অধ্যায় নিয়ে মুখ খুললেন যুবরাজ সিংহ। জানালেন, আনন্দ হারিয়ে ফেলা, সম্মান ও সমর্থনের অভাব—এই সব মিলিয়েই শেষ পর্যন্ত ব্যাট তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।২০১৯ সালের জুনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ও আইপিএল থেকে অবসর নেন ভারতের এই প্রাক্তন অলরাউন্ডার। সে বছরই ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ভারতীয় দলে সুযোগ পাননি যুবরাজ। প্রাক্তন টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার ইউটিউব শো-তে এসে অবসরের নেপথ্যের মানসিক লড়াইয়ের কথা খোলাখুলি বলেন তিনি।

৪৪ বছর বয়সী যুবরাজের কথায়, তিনি তখন আর ক্রিকেট খেলায় আনন্দ পাচ্ছিলেন না। চারপাশ থেকে প্রয়োজনীয় সমর্থন ও সম্মানও অনুভব করছিলেন না। তাঁর প্রশ্ন ছিল, যখন খেলার আনন্দই নেই, তখন কেন চালিয়ে যাবেন? মানসিক ও শারীরিক ভাবে আর বাড়তি কিছু দেওয়ার অবস্থায় ছিলেন না বলেই মনে হয়েছিল তাঁর। অবশেষে খেলা ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরই যেন নিজেকে আবার ফিরে পান বলে জানান যুবরাজ।কার কাছ থেকে তিনি অসম্মান বা সমর্থনের অভাব বোধ করেছিলেন, তা স্পষ্ট করে বলেননি যুবরাজ। তবে কথোপকথনের এক পর্যায়ে ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিংহ সিধুর প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।

যুবরাজ জানান, ছোটবেলায় তাঁর প্রতিভা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন সিধু। যদিও বিষয়টিকে তিনি ব্যক্তিগত ভাবে নেননি, তাঁর বাবা তা নিয়েছিলেন গুরুত্ব সহকারে এবং সেখান থেকেই আরও কঠোর অনুশীলনের পথে এগিয়েছিলেন তিনি।ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে অন্যতম সেরা ম্যাচজয়ী অলরাউন্ডার যুবরাজ। ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপে এক ওভারে ছয় ছক্কা এবং ১২ বলে অর্ধশতরান করে বিশ্ব ক্রিকেটে আলোড়ন ফেলেছিলেন তিনি। ২০১১ সালের একদিনের বিশ্বকাপে ৩৬২ রান ও ১৫ উইকেট নিয়ে ‘প্লেয়ার অব দ্য টুর্নামেন্ট’ হন যুবরাজ, ভারতের শিরোপা জয়ে রাখেন বড় ভূমিকা। তবে বিশ্বকাপের পরের সময়টা ছিল কঠিন—ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই, দলে আসা-যাওয়া এবং ফর্মের ওঠানামা তাঁর কেরিয়ারে বড় প্রভাব ফেলেছিল। ২০১৭ সালে শেষবার দেশের জার্সিতে খেলেন যুবরাজ, তার দু’বছর পর অবসর নেন।

Related Articles