পালমেইরাসকে হারিয়ে চতুর্থবারের মত শিরোপা জয় ফ্ল্যামেঙ্গোর
শনিবার পেরুর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই ম্যাচে ফ্ল্যামিঙ্গোর হয়ে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন দানিয়েল।
Truth Of Bengal: ব্রাজিলের প্রথম ক্লাব হিসেবে নজির গড়ল ফ্ল্যামেঙ্গো। কোপা লিবার্তাদোরেস ট্রফি জয় করল তারা। এই নিয়ে চারবার এই ট্রফি জয়ের স্বাদ পেল ফ্ল্যামেঙ্গো। ফাইনালে চির প্রতিদ্বন্দ্বী পালমেইরাসকে ১-০ গোলে হারাল ফ্ল্যামেঙ্গো।
শনিবার পেরুর মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই ম্যাচে ফ্ল্যামিঙ্গোর হয়ে ম্যাচের ৬৭ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন দানিয়েল। গোটা ম্যাচে ফ্ল্যামিঙ্গোর জয় যেমন নজর কেড়েছে, ঠিক তেমনই ফুটবল বিশ্ব চিরদিন মনে রাখবেন এই কারণে গোটা ম্যাচে ৩৩টি ফাউল এবং সাতটি হলুদ কার্ড দেখেন দুই দলের ফুটবলাররা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দল সুযোগ তৈরি করলেও, গোলের দেখা পায়নি কেউই। তবে ম্যাচের একদম অন্তিম লগ্নে এসে গোলের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন পালমেইরাসের রোকে। কিন্তু সেই সুযোগ তিনি কাজে লাগাতে পারেননি।
এদিকে ম্যাচের আগের দিনই কাকিমার মৃত্যু সংবাদ পেয়েছিলেন দানিয়েল। তবুও ক্লাবের হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। খেলার শেষে তাঁর গোলে ক্লাবকে ট্রফি এনে দিয়ে দানিয়েল বলেন, ‘আপনারা সবাই জানেন, আমি বরাবরই ফ্ল্যামেঙ্গোর সমর্থক। কেননা জুভেন্টাস থেকে ফেরার পর এই ক্লাবের জার্সি পরার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। ম্যাচের আগের দিনই আমি আমার কাকিমাকে হারিয়েছি। এবং তারপর দিন ক্লাবের হয়ে গোল করতে পেরে আমার দারুণ অনুভূতি হচ্ছে। যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। ফাইনালের গোল আমার পুরো পরিবারকে উৎসর্গ করছি।’
প্রসঙ্গত, এটি দানিলোর দ্বিতীয় কোপা লিবার্তাদোরেস শিরোপা। এর আগে ২০১১ সালে তিনি এই শিরোপা জিতেছিলেন স্যান্টোসের হয়ে। পেনারোলের বিপক্ষে দুই লেগ মিলিয়ে ২–১ গোলে জেতা সেই ম্যাচের দ্বিতীয় লেগে গোল করেছিলেন দানিলো। অন্য গোলটি ছিল নেইমারের।
এবার সেই দানিলোর নৈপুণ্যেই ২০২২ সালের পর আবার লিবার্তাদোরেসের শিরোপা জয় করল ফ্ল্যামেঙ্গো। পাশাপাশি এর ফলে টানা সাত বছর ধরে দক্ষিণ আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের এই প্রতীক নিজেদের দখলেই ধরে রাখল সেলেকাওরা। এর আগে ব্রাজিলের বাইরে আর্জেন্টাইন ক্লাব রিভার প্লেট ২০১৮ সালে সর্বশেষ এই ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল।


