খেলা

Archery Triumph: ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি প্রতিযোগিতায় জোড়া পদক, জয়ী হলেন বাংলার যুবক

Sahil Rajesh Jadhav from NCOE Kolkata clinched individual gold (149‑148) and team silver in compound archery at the FISU World University Games

Truth Of Bengal: জার্মানির রাইন-রুয়ারে অনুষ্ঠিত ফিসু বিশ্ব বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৫-এ নজির গড়লেন স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এসএআই) জাতীয় এক্সেলেন্স সেন্টার (এনসিওই)কলকাতার অ্যাথলিট সাহিল রাজেশ যাধব(Archery Triumph)। অসাধারণ নিখুঁত লক্ষ্যে সাহস ও স্থির মনোভাবের পরিচয় দিয়ে পুরুষদের ব্যক্তিগত সংমিশ্র তীরন্দাজ প্রতিযোগিতায় সোনার পদক জেতেন সাহিল। চূড়ান্ত পর্যায়ে ইংল্যান্ডের অজয় স্কট-কে মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধানে ১৪৯-১৪৮ ফলে পরাজিত করেন তিনি।

[আরও পড়ুনঃ Heavy Rain: ফের দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি, পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতরের]

এই প্রতিযোগিতায় সাহিল পুরুষদের দলগত সংমিশ্র তীরন্দাজ বিভাগেও রৌপ্য পদক অর্জন করেন। ভারতের দল শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে তুরস্কের কাছে ২৩১-২৩২ ফলে পরাজিত হয়(Archery Triumph)। ১৬ থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত চলা এই প্রতিযোগিতায় বিশ্বের প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের ক্রীড়াবিদরা অংশগ্রহণ করেন। টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মঞ্চে সাহিলের আত্মবিশ্বাস, ধৈর্য ও কঠোর পরিশ্রম তাঁকে দুইটি পদকের গর্ব এনে দেয়। বিজয়ের পর সাহিল বলেন, ‘ এই গৌরবময় মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি গর্বিত। ভারতের জন্য সোনা জয় আমার জীবনের এক বড় স্বপ্নপূরণ। এই সাফল্য আমি উৎসর্গ করছি আমার প্রশিক্ষক, পরিবার, সহায়তাকারী এবং যাঁরা বরাবর আমার পাশে থেকেছেন তাঁদের সকলকে।’

FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal

সাহিল ২০২২ সালের মার্চ মাস থেকে কলকাতায় তীরন্দাজ প্রশিক্ষক শ্রী হরেশ কুমার-এর তত্ত্বাবধানে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এই সাফল্য তাঁর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমবর্ধমান উত্থানকে তুলে ধরার পাশাপাশি, বিশ্বের মঞ্চে ভারতের সংমিশ্র তীরন্দাজির শক্ত অবস্থানকেও স্পষ্ট করে(Archery Triumph)। জাতীয় এক্সেলেন্স সেন্টার (এনসিওই) কলকাতার  কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক অধিকর্তা অমর জ্যোতি সাহিলের এই কৃতিত্বের প্রশংসা করে বলেন, ‘ তোমার অসাধারণ সাফল্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন। তুমি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছ। আমরা গর্বিত, তুমি দেশের পতাকাকে আরও ওপরে তুলে ধরেছ।‘  সাহিল রাজেশ যাধবের এই দ্বৈত পদকজয় ভারতের তীরন্দাজির ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় রচনা করল।