
Truth Of Bengal: রাজস্থানের যোধপুরে ঘটে গেল এক অদ্ভুত ঘটনা। হাসপাতালে কর্মী না থাকায় ইউটিউব দেখে একজন রোগীর ইসিজি স্ক্যান করলেন এক ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট। এই ঘটনায় রাজ্য পরিচালিত হাসপাতালের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তদন্ত। এই প্রক্রিয়াটির বিরুদ্ধে ল্যাব অ্যাটেনডেন্টকে আপত্তি জানিয়েছিল রোগীর পরিবার।
বলা হয়েছিল, সঠিক জ্ঞান ছাড়া স্ক্যান করার জন্য রোগীর মৃত্যুও হতে পারে। এই কথার জবাবে তিনি জানিয়েছিলেন, কোনও কর্মী না থাকায় এছাড়া তাঁর কাছে অন্য কোনও বিকল্প নেই। যোধপুরের রাষ্ট্রীয় স্যাটেলাইট হাসপাতালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার কথিত ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হয়েছে। সেই ভিডিও বর্তমানে ভাইরাল। সেখানে অনেকে দাবি করছেন, এ ঘটনায় প্রশাসনকে তদন্ত করা উচিৎ।
YouTube से सीखा ECG करना !
‘मैं लैब टेक्नीशियन नहीं हूं और ना ही मैंने पहले कभी ECG की है’
दिवाली पर स्टाफ की कमी के बीच जोधपुर के पावटा सेटेलाइट हॉस्पिटल में लैब टेक्नीशियन नहीं होने पर एक कर्मचारी यूट्यूब वीडियो देखकर मरीज का ECG #Jodhpur@ashokgehlot51@BhajanlalBjp @PMOIndia pic.twitter.com/sgaS51ydBw— Nikhil Agarwal (@niksagarwal21) November 2, 2024
ভিডিওতে, রোগীর পরিবারের সদস্যদের আপত্তি করতে দেখা যায়। শোনা যায়, সঠিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ছাড়া এই ধরনের সংবেদনশীল স্ক্যান করলে রোগীর জীবন চলে যেতে পারে কিন্তু ল্যাব অ্যাটেনডেন্ট সেসব কথায় কান না দিয়ে ইসিজি করতে থাকে।
ভিডিওটিতে ল্যাব হেলপার বলছে, দীপাবলির ছুটিতে ল্যাব টেকনিশিয়ানরা বাড়ি গিয়েছেন। তবে সবকিছু সঠিক জায়গায় ইনস্টল করা হয়েছে। এবার যা করার মেশিনটি করবে।
ভিডিওটিতে হেল্পারকে আরও বলতে শোনা গিয়েছে, তিনি ল্যাব সহকারীও নন। তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন এর আগে তিনি কখনও ইসিজি করেননি।
উল্লেখ্য, ইসিজি বা ইলেক্ট্রোকার্ডিওগ্রাম হল একটি মেডিকেল পরীক্ষা। যা মানুষের হৃদয়ের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে। এটি হৃদরোগ সনাক্তকরণের জন্য অপরিহার্য। ECG হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনার প্রাথমিক মূল্যায়ন হিসাবে সঞ্চালিত হয়। এটির ফলাফল দেখে হার্ট অ্যাটাক, ব্লকেজ ও যেকোনো ধরনের হার্ট সার্জারির প্রয়োজনীয়তা সহ বিভিন্ন গুরুতর অবস্থা নির্ণয় করা হয়।
ভিডিওটি সামনে আসতেই ওই মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ বিএস জোধা বলেন, ভিডিওটি সহ এই গোটা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






