লাইফস্টাইল

রাতে খাওয়ার পর হাঁটা কমায় স্ট্রেস, বাড়ায় ঘুমের পরিমাণ

Night walk is good for your health

The Truth of Bengal: আধুনিক ব্যস্ত জীবনে নিজের জন্য সময় যাপন করাই অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। দিনভর বিরতিহীন কর্মব্যস্ততার কারণে ক্লান্তিতে নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া অনেকের পক্ষেই সেভাবে সম্ভব হয়ে ওঠে না। হাঁটা তাদের জন্য এক সর্বোত্তম এক্সারসাইজ। হাঁটার চেয়ে ভালো শারীরিক কসরত আর কিছু হয় না। কারণ, হাঁটলে যেমন একদিকে বাড়তি মেদ ঝরে যায় তেমনই হজমশক্তিও বাড়ে। বিশেষ করে রাতে খাওয়ার পর হাঁটা অত্যন্ত উপকারী।

হাঁটা মানসিক অবসাদ, উদ্বেগ কমায়। হাঁটলে এন্ডোরফিনস হরমোনের নিঃসারণ হয় যা মনকে চাঙ্গা করে। মুড ভালো থাকে। মানসিক ভাবে উৎফুল্ল হবেন যদি নিয়মিত রাতে খাওয়ার পর হাঁটেন। রাতে অনেকেরই ঘুম আসতে চায় না। ওষুধ খেয়েও লাভ হয় না। রাতে খাওয়ার পর কিছুক্ষণ হাঁটলে মাথার থেকে সব অযথা চিন্তা, উদ্বেগ দূর হয়। হাবিজাবি চিন্তা দূর হলে ঘুম তাড়াতাড়ি আসে। রাতে খাওয়ার পর হাঁটলে আপনার মধ্যে থাকা সুপ্ত শৈল্পিক সৃষ্টি জেগে ওঠে। ক্রিয়েটিভিটি বাড়িয়ে তোলে হাঁটা।

রাতে খাওয়ার পরপরই শুয়ে ঘুমিয়ে পড়া একেবারে ভালো অভ্যাস নয়। এতে মেদ জমে শরীরে। খাওয়ার পর শরীরকে ক্যালরি ঝরানোর সুযোগ দিতে হবে। যে খাবার খেয়েছেন তার পুষ্টি যদি শরীর শুষেই না নিতে পারে ভালো করে তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য, পেট ফাঁপা, গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা হওয়া খুব স্বাভাবিক। কিন্তু রাতে খাওয়ার পর হাঁটলে ভালো করে কাজ করতে পারে পরিপাকতন্ত্র। হাঁটলে পাকস্থলী থেকে উৎসেচক বেরোয় যা পুষ্টি শুষে নিতে সাহায্য করে। খাবার হজম হলে ভালো করে তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যা হয় না।

  1. খাওয়ার পর হাঁটলে মেটাবলিজম বা পরিপাক ক্রিয়া ঠিক থাকে। বাড়তি চর্বি গলে যায়। রাতে খাওয়ার পর হাঁটলে শরীর সুস্থ থাকে।তার প্রত্যক্ষ প্রভাব মনের ওপর পরে। পরদিন ঘুম থেকে উঠে অনেক চনমনে লাগে। এনার্জি বাড়িয়ে তোলে।

2. প্রতিদিন নিয়মিত কমপক্ষে ৩০ মিনিট হাঁটলেই রক্তে শর্করার মাত্রা কমে। খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ে। তাই ডায়াবেটিকরা রাতে খাওয়ার পর হাঁটলে নিঃসন্দেহে অনেক উপকার পাবেন। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

3. শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের হয়ে গেলে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ভালো করে কাজ করে। তাই রাতে খাওয়ার পর হাঁটা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

Related Articles