যুবসাথী ভাতা নিয়ে নয়া নির্দেশিকা! কারা পাবেন আর কাদের নাম কাটা যাবে?
গত ৭ মার্চ থেকেই প্রথম পর্যায়ের টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো শুরু হয়েছিল।
Truth of Bengal: রাজ্যের বেকার যুবক-যুবতীদের স্বনির্ভর করতে রাজ্য বাজেটে ঘোষিত ‘যুবসাথী’ প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দিতে কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। নবান্ন সূত্রে খবর, এপ্রিল মাসের ভাতার টাকা আগামী ১০ তারিখ থেকেই উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো শুরু হবে। আদতে এই কিস্তির টাকা ১ এপ্রিল থেকে দেওয়ার কথা থাকলেও, সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সেই তারিখ এগিয়ে আনা হয়েছে। এর আগে গত ৭ মার্চ থেকেই প্রথম পর্যায়ের টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো শুরু হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিপূর্বেই ঘোষণা করেছিলেন যে, এই প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য এপ্রিল মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। ধর্মতলায় ধরনা চলাকালীনই তিনি জানিয়েছিলেন, ৭ মার্চ থেকেই টাকা দেওয়া শুরু হবে। সেইমতো সিংহভাগ আবেদনকারী ইতিমধ্যেই তাঁদের প্রাপ্য ভাতা পেয়ে গিয়েছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী কর্মহীন যুবক-যুবতীরা মাসে ১,৫০০ টাকা করে এই আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন। প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছরের জন্য এই সুবিধা দেওয়া হবে। তবে পাঁচ বছর পরও যদি কেউ কর্মসংস্থান না পান, তবে তাঁর আবেদনটি পুনরায় বিবেচনা বা রিভিউ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।
তবে এই প্রকল্পের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট শর্তাবলিও রয়েছে। স্পষ্ট জানানো হয়েছে, আবেদনকারী যদি রাজ্য সরকারের অন্য কোনো জনমুখী বা আর্থিক প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেন, তবে তিনি এই যুবসাথী ভাতার আওতায় আসবেন না। সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা পাঠানো হলেও কিছু ক্ষেত্রে যান্ত্রিক বা পদ্ধতিগত জটিলতা দেখা দিয়েছে। অনেক আবেদনকারী অভিযোগ করেছেন যে, ফোনে টাকা ঢোকার মেসেজ এলেও বাস্তবে অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হয়নি।
এই সমস্যা নিয়ে উৎকণ্ঠায় থাকা আবেদনকারীদের আশ্বস্ত করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। পুরুলিয়ার মানবাজারের একটি সভা থেকে তিনি জানিয়েছেন, যাঁদের আবেদন করেও টাকা ঢোকেনি, তাঁদের নথিতে হয়তো কোনো ভুল বা ‘ডুপ্লিকেট’ এন্ট্রি হয়েছে। এই ধরনের আবেদনকারীদের দ্রুত ডেকে পাঠিয়ে তথ্য সংশোধন করা হবে। নবান্নের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রত্যেকেই যাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। সরকারের এই তৎপরতায় স্বস্তিতে রয়েছেন হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী।






