
The Truth of Bengal: শুক্রবার শুরু হল এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষা। প্রথম দিন বিষয় ছিল প্রথম ভাষা। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে শুরু হয় পরীক্ষা। কোনও রকম অঘটন ছাড়াই নির্বিঘ্নে শেষ হল মাধ্যমিকের প্রথম দিনের পরীক্ষা। পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিতে কড়া পুলিশ ব্যবস্থা ছিল। পরীক্ষার্থীরা যাতে সহজে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে পারে তাঁর জন্য রাজ্য পরিবহণ দফতর প্রচুর অতিরিক্ত বাস চালায়। কোথাও কোনও সমস্যা হয়নি। প্রথম দিন হাসি মুখেই পরীক্ষার্থীদের হল থেকে বের হতে দেখা যায়। এবছর প্রশ্ন ফাঁস রুখতে কড়া পদক্ষেপ করে প্রশাসন।
প্রশ্নপত্রের ওপর বিশেষ কোড ব্যবহার করা হয়েছে। যে কডের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। বোঝা যাবে কোন পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে। প্রশ্নপত্রের প্রতিটি পাতায় এই কোড ব্যবহার করা হয়। এত আঁটোসাঁটো ব্যবস্থা সত্ত্বেও ‘প্রশ্নফাঁস’ হয় বলে অভিযোগ ওঠে। প্রথম ভাষার পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে প্রশ্নপত্র। পরীক্ষা শেষ হতেই দেখা যায় ভাইরাল ছবিটি আসল প্রশ্নপত্রের দ্বিতীয় পাতার।
জানা গিয়েছে, প্রশ্নে থাকা কিউআর কোড থেকে থেকে মালদার দুই ছাত্রকে শনাক্ত করেছে পর্ষদ। মনে করা হচ্ছে, তারাই এই প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যে। পর্ষদ ইতিমধ্যেই তাদের পরীক্ষা বাতিল করেছে। জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত নিরাপদ করতে ব্যবস্থা নেয় বন দফতর। হাতির আতঙ্কে মোতায়েন করা হয় হুলা পার্টি। গাড়িতে করে পরীক্ষার্থীদের নিয়ে যাওয়া হয় পরীক্ষাকেন্দ্রে। গত বছর জলপাইগুড়িতে হাতির হানায় মৃত্যু হয়েছিল এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার বাঁকুড়ার হাতি উপদ্রুত জঙ্গল এলাকায় বাড়তি সতর্ক ছিল বন দফতর। পরীক্ষার দিনগুলিতে এই ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গিয়েছে।






