সাতসকালে চেতলা অগ্রণী ক্লাবের সুইমিং পুলে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! জল থেকে উদ্ধারের পর মৃত্যু ১৯ বছরের যুবকের
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্লাব চত্বর ও মৃতের পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
Truth of Bengal: সাতসকালে শহরের এক নামী সুইমিং পুলে সাঁতার কাটতে গিয়ে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক দুর্ঘটনা। জল থেকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধারের পর মৃত্যু হলো এক ১৯ বছর বয়সী এক যুবকের। সোমবার সকালে চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার চেতলা অগ্রণী ক্লাবের সুইমিং পুলে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্লাব চত্বর ও মৃতের পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। সুরক্ষিত একটি সুইমিং পুলের ভেতরে কীভাবে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মৃত ওই যুবকের নাম ঋত্বিক চক্রবর্তী (১৯)। তিনি কালীঘাটের বাদামতলা আষাঢ় সংঘ এলাকার নেপাল ভট্টাচার্য স্ট্রিটের বাসিন্দা ছিলেন। এদিন সকালে আর পাঁচটা সাধারণ দিনের মতোই তিনি চেতলা অগ্রণী ক্লাবের পুলে সাঁতার কাটতে নেমেছিলেন। কিন্তু সাঁতার কাটার সময়েই আচমকা কোনোভাবে তিনি জলের গভীরে তলিয়ে যান। বিষয়টি পুলে উপস্থিত বাকিদের নজরে আসতেই তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায়। সেখানে উপস্থিত অন্যান্যরা তড়িঘড়ি জলে নেমে তাঁকে উদ্ধার করে ডাঙায় তোলেন।
উদ্ধারের সময় ঋত্বিক সম্পূর্ণ অচেতন অবস্থায় ছিলেন। তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় কালবিলম্ব না করে তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুর্ভাগ্যবশত, হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পরই ওই যুবককে মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে চেতলা থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এবং হাসপাতালে পৌঁছায়।
এদিকে যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তাঁরাও দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। সুইমিং পুল কর্তৃপক্ষের চরম গাফিলতি এবং নজরদারির অভাবকেই ছেলের এই অকাল মৃত্যুর জন্য সরাসরি দায়ী করছেন ঋত্বিকের পরিবার। পুলে প্রশিক্ষক বা লাইফগার্ডের ভূমিকা ঠিক কী ছিল, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়েছে।






