গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাজস্থান থেকে আটক সরকারি কর্মী
Government employee arrested from Rajasthan on charges of espionage
Truth of Bengal: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে রাজস্থানের জৈসলমের থেকে এক সরকারি কর্মীকে আটক করল গোয়েন্দা সংস্থা। ধৃত ব্যক্তির নাম সাকুর খান মাঙ্গালিয়া। রাজ্যের কর্মসংস্থান দফতরে কর্মরত এই ব্যক্তি এক সময় প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী শালে মোহাম্মদের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলেন। সূত্রের খবর, বেশ কিছু দিন ধরেই সাকুরের গতিবিধি সন্দেহজনক বলে মনে হচ্ছিল গোয়েন্দাদের।
পাকিস্তানের আইএসআই এবং পাক দূতাবাসের এক আধিকারিকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকার প্রমাণ মেলার পরই তাঁর উপর নজরদারি শুরু হয়। জৈসলমের জেলার একটি সরকারি অফিস থেকেই বৃহস্পতিবার সাকুরকে আটক করা হয়। তাঁর মোবাইল ফোন থেকে একাধিক পাকিস্তানি নম্বর উদ্ধার হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সাকুর বহু বার পাকিস্তান সফরের কথা স্বীকার করেছেন। যদিও তাঁর মোবাইল থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও সামরিক বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্পষ্ট তথ্য মেলেনি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, মোবাইল থেকে অনেক ছবি ও ভিডিও ইচ্ছাকৃতভাবে মুছে ফেলা হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, এর মধ্যে কোনও স্পর্শকাতর তথ্য থাকতে পারে।
গোয়েন্দারা ইতিমধ্যেই সাকুরের দু’টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন খতিয়ে দেখছেন। মোবাইলটি বাজেয়াপ্ত করে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে তদন্তে সামনে এসেছে সাকুর প্রবীণ কংগ্রেস নেতার প্রাক্তন সহকারী ছিলেন। দু’জনেই একই গ্রামের বাসিন্দা। যদিও কংগ্রেস নেতার তরফে এখনও কোনও মন্তব্য করা হয়নি। এই প্রসঙ্গে জৈসলমেরের পুলিশ সুপার সুধীর চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘সদর দফতর থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে আমরা সাকুরকে আটক করেছি। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক সন্দেহজনক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’ তদন্তে এখন মূল লক্ষ্য, সাকুর পাকিস্তানে ঠিক কী উদ্দেশ্যে যেতেন, কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন এবং সরকারি কর্মী হয়েও কীভাবে ও কেন এধরনের যোগাযোগ গড়ে তুলেছিলেন। গোয়েন্দারা মনে করছেন, তদন্তে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে। এই ঘটনায় রাজ্যের প্রশাসন এবং রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি কর্মীদের ওপর নজরদারির বিষয়েও প্রশ্ন উঠেছে।






