The Truth of Bengal: ভারতে আয়োজিত জি ২০ সামিটের মূল বৈঠকে কি আসবেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিংপিং? এই প্রশ্ন নিয়েই এখন শুরু হয়েছে নয়া কূটনৈতিক জল্পনা। কারণ অতি সম্প্রতি চিনের প্রকাশিত ম্যাপ নিয়ে যে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, তাতে দুদেশের সম্পর্ক যে আরও তলানিতে ঠেকেছে, তা বলাই যায়। তবে মনে করা হচ্ছে, শি জিংপিংয়ের পরিবর্তে ভারতে আসতে পারেন চিনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।দেশের অর্থনীতি ক্রমে তলানির দিকে গেলেও, বিদেশনীতিতে আগ্রাসী মনোভাব কমাতে রাজি নয় চিন।
অতি সম্প্রতি, ভারত ও রাশিয়ার বেশ কিছু অংশকে নিজেদের অংশ বলে একটি ম্যাপ প্রকাশ করে দাবি করেছে চিন। আর তাই নিয়েই কড়া বার্তাও দিয়েছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। পাশাপাশি পাল্টা বার্তা দিয়েছে মস্কো। চলতি বছরে জি-২০ সামিটের আয়োজক দেশ ভারত। ফলত জি-২০ অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি দেশকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে নানা বৈঠক চলছে। সম্পূর্ণ বৈঠক হবে দিল্লিতে। এই সামিট চলাকালীন চিনের ম্যাপ প্রকাশ নেতিবাচক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নয়া ইন্ধন দিয়েছে। জি২০ বৈঠকের স্পেশ্যাল সেক্রেটারি মুক্তেশ পরদেশি জানিয়েছেন, চিনের প্রেসিডেন্ট বৈঠকে আসছেন না, তার পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী আসতে পারেন। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে চিনের তরফে এখনও সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।
আগামী ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর সামিটে যোগ দিতে ভারতে আসবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আশা ছিল, একই মঞ্চে দেখা যাবে, বাইডেন, মোদি এবং শি জিংপিংকে। কিন্তু বর্তমান যে কূটনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেখানেই এমন চিত্র দেখা যাবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো, গত ২৮ আগস্ট দেশের নতুন সরকারি ম্যাপ প্রকাশ করে চিন। সেখানে অরুণাচল প্রদেশকে নিজের বলে দাবি করে চিন। আকসাই চিনকে নিজেদের বলে দাবি করেছে বেজিং। তারপরেই তীব্র আপত্তি জানিয়ে, কড়া বার্তা দেওয়া হয় ভারতের তরফে।





