বাজেটের তালিকায় কী কী সস্তা হল আর কী কী মহার্ঘ? এক নজরে দেখে নিন
বাজেটে মূলত স্বাস্থ্য, ইলেকট্রনিক্স এবং ক্ষুদ্র শিল্পে স্বস্তি দিতে শুল্ক কমানোর কথা বলা হয়েছে।
Truth Of Bengal: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের কেন্দ্রীয় বাজেটে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের একাধিক জিনিসের শুল্ক কাঠামোয় বড়সড় রদবদল করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। আমদানিকৃত কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশের ওপর শুল্ক কমানোর ফলে একদিকে যেমন মোবাইল ও ওষুধের মতো জরুরি জিনিসের দাম কমবে, তেমনই ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগকে শক্তিশালী করতে বেশ কিছু জিনিসের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
#Budget2026 makes 17 cancer drugs, EV batteries, and smartphones cheaper through customs duty cuts. On the flip side, the government has intensified its stance on “sin goods.” A new excise framework and health cess mean that cigarettes, liquor, and pan masala will become notably… pic.twitter.com/9TdTTvixey
— The Daily Jagran (@TheDailyJagran) February 1, 2026
কী কী সস্তা হচ্ছে?
বাজেটে মূলত স্বাস্থ্য, ইলেকট্রনিক্স এবং ক্ষুদ্র শিল্পে স্বস্তি দিতে শুল্ক কমানোর কথা বলা হয়েছে:
-
জীবনদায়ী ওষুধ: ক্যান্সার ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ১৭টি জীবনদায়ী ওষুধের ওপর থেকে শুল্ক কমানো হয়েছে, যার ফলে এই জটিল রোগের চিকিৎসার খরচ কমবে।
-
মোবাইল ফোন: মোবাইল তৈরির যন্ত্রাংশ ও ক্যাপিটাল গুডসের ওপর আমদানি শুল্ক কমানোয় স্মার্টফোনের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
-
ইলেকট্রিক যান (EV): পরিবেশবান্ধব পরিবহনে জোর দিতে লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি তৈরির কোষে (Li-ion cells) শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে।
-
চামড়া ও টেক্সটাইল: জুতো ও পোশাক তৈরির কাঁচামালের ওপর শুল্ক কমায় এই ধরনের পণ্য সাধারণের নাগালে আসবে।
-
খেলাধুলার সরঞ্জাম: অ্যাথলেটিক্সে উৎসাহ দিতে খেলাধুলার সরঞ্জামের দাম কমানোর জন্য শুল্ক যৌক্তিকীকরণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
-
সামুদ্রিক পণ্য: সামুদ্রিক খাবার প্রক্রিয়াকরণ ও রপ্তানিতে ব্যবহৃত উপকরণের (যেমন চিংড়ির খাবার) শুল্কমুক্ত আমদানির সীমা ১% থেকে বাড়িয়ে ৩% করা হয়েছে।
কী কী মহার্ঘ হচ্ছে?
দেশীয় উৎপাদন বাড়াতে এবং ক্ষতিকর পণ্যের ব্যবহার কমাতে কিছু ক্ষেত্রে কর বাড়ানো হয়েছে:
-
তামাকজাত পণ্য: সিগারেট, পান মশলা ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের ওপর এক্সাইজ ডিউটি এবং ‘হেলথ সেস’ বাড়ানো হয়েছে, ফলে এগুলোর দাম বাড়বে।
-
আমদানিকৃত শিল্পপণ্য: যেসব পণ্য এখন ভারতেই পর্যাপ্ত পরিমাণে উৎপাদিত হচ্ছে, সেগুলোর ওপর থেকে শুল্ক ছাড় তুলে নেওয়া হয়েছে।
-
নির্দিষ্ট শিল্প যন্ত্রপাতি: কিছু বিশেষ শিল্প যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক কাঠামো পুনর্বিন্যাস করায় সেগুলোর দাম বাড়তে পারে।
শিল্পে বিশেষ ছাড়: চামড়া শিল্পের সুবিধার জন্য আমদানিকৃত কাঁচামাল থেকে তৈরি পণ্য রপ্তানির সময়সীমা ৬ মাস থেকে বাড়িয়ে ১ বছর করা হয়েছে। এর ফলে উৎপাদনকারীরা বাড়তি সময় পাবেন এবং বিশ্ববাজারে ভারতীয় পণ্যের প্রতিযোগিতা করার ক্ষমতা বাড়বে।






