দেশ

ত্রিপুরায় বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা ও মণ্ডল অফিসে অগ্নিসংযোগ

বিজেপি কর্মীর স্ত্রী জানিয়েছেন,  হামলাকারীদের পায়ে ধরে থামানোর অনুরোধ করলেও তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং আরও তাণ্ডব চালানো হয়।

বিক্রম কর্মকার, ত্রিপুরা: ত্রিপুরার এডিসি এলাকার খুমুলুঙ বৃহস্পতিবার রাত থেকেই উত্তপ্ত। জয়কৃষ্ণ কোবরা পাড়ায় এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে হামলা ও মণ্ডল অফিসে অগ্নিসংযোগকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অভিযোগের তির তিপ্রামথা দলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। রাতে বিজেপি কর্মী শহিদ দেববর্মার বাড়িতে হানা দেয় তিপ্রামথা-সমর্থিত দুষ্কৃতীরা। তাঁকে না পেয়ে ঘরের প্রায় সব জিনিসপত্র ভাঙচুর করা হয়। টিভি, ফ্রিজ, ইনভার্টার  সহ বেশিরভাগ আসবাবপত্রই তছনছ করে দেওয়া হয়।

বিজেপি কর্মীর স্ত্রী জানিয়েছেন,  হামলাকারীদের পায়ে ধরে থামানোর অনুরোধ করলেও তাঁকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয় এবং আরও তাণ্ডব চালানো হয়।খবর পেয়ে রাধানগর থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। পরে জিরানিয়া মহকুমার এসডিপিও, পশ্চিম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিমাদ্রি দাসের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় মোতায়েন হয়। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, আশঙ্কা বাড়ছে রাজনৈতিক সংঘর্ষ আরও বাড়তে পারে।

এছাড়া অভিযোগ, তিপ্রামথা আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিজেপির মণ্ডল কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ করেছে। অফিসটি সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।শুক্রবার সকালেই ঘটনাস্থলে যান ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও বিজেপি কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে তিনি আশ্বাস দেন— দোষী যেই হোক, কাউকে ছাড়া হবে না।তিনি কড়া ভাষায় বলেন, খুমুলুঙে তিপ্রামথা আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট সম্পূর্ণ নিন্দনীয়। কমিউনিস্টদের আমদানি করা রাজনৈতিক সন্ত্রাসের সংস্কৃতি বিজেপি সরকার বরদাস্ত করবে না। আইন নিজের পথে চলবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকায় সাধারণ মানুষের মনে ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়েছে। পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।

Related Articles