ধান বিক্রি করতে এসে ভোগান্তিতে চাষিরা, দ্রুত সমস্যা মেটানোর উদ্যোগে প্রশাসনের
Suffering farmers

The Truth of Bengal: চাষিদের কথা ভেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ন্যায্যমূল্যের ধান ক্রয় কেন্দ্র চালু করেছিলেন। যেখানে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে চাষিরা ধান বিক্রি করার সুযোগ পান। মধ্যস্বত্বভোগী না থাকায় বাড়তি কিছুটা লাভবান হন চাষিরা। তা ছাড়া খুব সহজেই বাড়ির কাছে নিজেদের উতপাদিদ ধান বিক্রি করার সুযোগ পান চাষিরা। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে একটি ধান ক্রয়কেন্দ্রের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার আনলেন চাষিরা। দূর দূরান্ত থেকে ধান ক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি করতে এসে ভোগান্তির মুখে পড়লেন চাষিরা।
সার্ভার সমস্যায় হল না ধান বিক্রি। গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে এসে আবার গাড়ি ভাড়া করে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে চাষিদের। আবার প্রতি কুইন্টালে দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৫ কেজি ধান। প্রতিবাদে বিক্ষোভ চাষিদের। এক কুইন্টাল ধান বিক্রির জন্য দিতে হচ্ছে অতিরিক্ত ৫ কেজি ধান। চাষিদের অভিযোগ সম্পূর্ণ নিয়মের বাইরে এই অতিরিক্ত পাঁচ কেজি ধান নেওয়া হচ্ছে। প্রতিবাদে ধান ক্রয় কেন্দ্রের সামনে ধান ফেলে বিক্ষোভ দেখান চাষিরা। প্রশ্নের মুখে রাইস মিলার মালিকদের ভূমিকা।
ধান ক্রয় কেন্দ্রের ম্যানেজার জানান মেশিন এবং সার্ভারের সমস্যা রয়েছে বলে ভোগান্তির সম্মুখীন চাষিরা। তবে পরবর্তীতে স্লিপ দিয়ে ধান নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তাঁর। চাষিদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন এলাকায় ন্যায্যমূল্যের ধান ক্রয় কেন্দ্র চালু করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়ির কাছে সহজেই ধান বিক্রি করতে পারায় লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। তবে কিছু কিছু জায়গায় পরিকাঠামোগত সমস্যার জন্য চাষিদের অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে। মালদার এই ঘটনায় চাষিদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়ালেও পড়ে স্লিপ দিয়ে ধান কেনা হয়।






