কলকাতা

বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ প্রশাসনের

West Bengal Govt on Crackers

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: কিছুদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণের পরে বিরোধীরা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে রে-রে করে আসরে নেমে পড়ে। তবে বিরোধীদের তাতে রাজনৈতিক ফায়দা তেমন হয়নি।এরপর কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে নবান্নও। বেআইনি বাজি কারখানা বন্ধ করতে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেআইনি বাজি কারখানার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাগ্রহণেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ক্লাস্টার গঠন করে সবুজ বাজি তৈরির ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়। একঝলকে দেখে নেওয়া নবান্নে টাস্ক ফোর্সের বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি সম্পর্কে জানিয়েছে বাংলা আতশবাজি উন্নয়ন সমিতি।

১, পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি তৈরি করতে ১৮টি ক্লাস্টার গঠিত হবে

২. ক্লাস্টার তৈরির ৯০ শতাংশ খরচ বহন করবে রাজ্য সরকার

৩. একটি ক্লাস্টার তৈরিতে খরচ হবে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকা

৪. শিলিগুড়ি ও দার্জিলিংয়ে দুটি হাব তৈরি করা হবে

৫. এই দুটি হাব থেকে বাজি বিক্রি করা হবে

৬. লাইসেন্স পাওয়ার নিয়মকানুনও সরল হচ্ছে

৭. লাইসেন্স মিলবে জেলাশাসকের দফতর থেকেই

পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি তৈরি নিয়ে টাস্ক ফোর্সের যে বৈঠক হয়েছে, সেব্যাপারে সরকারিভাবে অবশ্য কিছু জানায়নি নবান্ন। সূত্রের খবর, নবান্নে ওই বৈঠক হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর নেতৃত্বে। সবুজ বাজিতে বোরিয়াম নাইট্রেট নামের রাসায়নিক থাকে না, এছাড়া সোডিয়াম ও পটাসিয়াম নাইট্রেট থাকে নির্দিষ্ট মাত্রায়। সবুজ বাজিতে দূষণের মাত্রা অনেকই কম থাকে। তবে পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি তৈরি করতে চাইলে থাকতেই হবে ন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের শংসাপত্র। না হলে সবুজ বাজি তৈরির ছাড়পত্র মিলবে না বলে জানা গিয়েছে।

 

Related Articles