চলন্ত কর্মভূমি এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন! ইঞ্জিন-সহ দাউদাউ করে জ্বলল ৫টি কামরা
চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক কামরায়
Truth of Bengal: শুক্রবার দুপুরে পাঞ্জাবের ফতেহপুর সাহিবের কাছে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। চলন্ত ট্রেনের ইঞ্জিন থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে একের পর এক কামরায়। প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, ইঞ্জিনের পাশাপাশি চারটি জেনারেল কামরাও আগুনের কবলে পড়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও নিশ্চিত খবর মেলেনি।
রেল সূত্রে খবর, ১২৫০৮ নম্বর কর্মভূমি এক্সপ্রেস শুক্রবার নির্ধারিত সময়েই অমৃতসর থেকে জলপাইগুড়ির উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। দুপুর ১২টা ৫৮ মিনিট নাগাদ ফতেহপুর সাহিবের সাধুগড় স্টেশন ছাড়ার পরই ট্রেনের ইঞ্জিনে আগুন দেখতে পান যাত্রীরা। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পিছনের চারটি জেনারেল কামরায়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে মাঝপথেই ট্রেন থামিয়ে দেওয়া হয়। প্রাণ বাঁচাতে তড়িঘড়ি কামরা ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন যাত্রীরা।
চলন্ত কর্মভূমি এক্সপ্রেসে ভয়াবহ আগুন! https://t.co/37h0EkLrcy
— thetruthofbengal (@TruthofBengalX) November 6, 2026
এরপরই আগুনের তীব্রতা আরও বাড়তে থাকে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। ভয়াবহ এই দৃশ্য ঘিরে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন এবং রেলের আধিকারিকরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য শুরু হয় যুদ্ধকালীন তৎপরতা।
প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। যদিও অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ঘটনার খবর পাওয়ার পরই রেলের মেডিক্যাল টিমকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। রেলওয়ে মণ্ডলের পিআরও নীরজ জানিয়েছেন, অমৃতসর থেকে পশ্চিমবঙ্গগামী কর্মভূমি এক্সপ্রেসে আগুন লাগার খবর পেয়েই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন ডিআরএম বিনোদ কুমার ভাটিয়াও।
রেল কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে কীভাবে আগুন ছড়াল, কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং যাত্রীদের পরবর্তী গন্তব্যে পৌঁছনোর ব্যবস্থা কী হবে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডে রেলযাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।






