বৈভবকে আরও অপেক্ষার স্পষ্ট বার্তা গম্ভীরের, অভিজ্ঞতার নিরিখেই সঞ্জু, ব্যাখ্যা ভারতীয় কোচের
বৈভবের প্রসঙ্গে গম্ভীর খুব স্পষ্ট করে জানান, ড্রেসিংরুমে এই মুহূর্তে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে।
Truth of Bengal: ১৫ বছরের তরুণ প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশীকে আফগানিস্তান সিরিজের একটি ম্যাচেও একাদশে না রাখা নিয়ে ক্রিকেট প্রেমীদের মনে যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছিল, তাতে সরাসরি জল ঢেলে দিলেন ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীর। আফগানদের টি-২০ সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজ পকেটে পুরে নেওয়ার পর গম্ভীর এক সাংবাদিক সম্মেলনে স্পষ্ট করেন, ভারতীয় দলে জায়গা পেতে গেলে কেবল প্রতিভা থাকলেই চলবে না, অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিকতার নিরিখে নিজেকে প্রমাণ করতে হবে। শেষ টি-২০ ম্যাচে অভিষেক শর্মার ৩১ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরি আর ৯৪ রানে আফগানিস্তানকে উড়িয়ে দেওয়ার সাফল্যের আনন্দের মাঝেও গম্ভীরকে সাংবাদিকদের বাউন্সার সামলাতে হয়।
বৈভবের প্রসঙ্গে গম্ভীর খুব স্পষ্ট করে জানান, ড্রেসিংরুমে এই মুহূর্তে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। বৈভবের ক্ষমতা সম্পর্কে টিম ম্যানেজমেন্ট খুব ভাল করেই জানে, তবে যে সকল ক্রিকেটার গত দুই বা তিন বছর ধরে ভারতের হয়ে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করে আসছেন, তাঁদের বাদ দিয়ে নতুন কাউকে সুযোগ দেওয়া কোনওভাবেই সম্ভব নয়। গম্ভীর স্পষ্ট বলেন, বয়স ১৫ কিংবা ৩০ তা বড় কথা নয়, সুযোগের জন্য প্রত্যেক খেলোয়াড়কে নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা করতে হবে। তবে যেদিন বৈভব সুযোগ পাবেন, তাঁকে লম্বা সময় ধরে ব্যাক করা হবে।
অন্যদিকে সঞ্জু স্যামসনের মতো ক্রিকেটারকে দলে ধরে রাখার সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ যুক্তিযুক্ত বলে মনে করেন কোচ। টি-২০ বিশ্বকাপে স্যামসনের অবদান ও তাঁর সহজাত প্রতিভার ওপর ভরসা রেখেই দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
গম্ভীর জানান, ইংল্যান্ড সফরে স্যামসনকে বাদ দেওয়া তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত ছিল। তবে আফগানিস্তান সিরিজে পরপর দুই ম্যাচে স্যামসনের ফিফটি প্রমাণ করে দিয়েছে যে, টিম ম্যানেজমেন্টের ভরসা ভুল ছিল না। হঠাৎ করে দুই-একটা ম্যাচে ব্যর্থ হলে বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট জেতানো তারকারা খারাপ প্লেয়ারে পরিণত হন না। এর পাশাপাশি আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে চলা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজ প্রসঙ্গেও কথা বলেন গম্ভীর। এশিয়ান গেমসের ব্যস্ততার কারণে বেশ কিছু মূল খেলোয়াড়কে পাওয়া যাবে না, তবে আকিব নবি বা নমন ধীরের মতো তরুণদের সুযোগ দিয়ে দলের ব্যাকআপ শক্ত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।






