সুপ্রিম ধাক্কার পর স্পিকারের কড়া তলব! আসন হারানোর মুখে সুদীপ-কাকলি সহ ২০ দলবদলু সাংসদ?
সাত দিনের মধ্যে নিজেদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে দলবদলকারী সাংসদদের
Truth of Bengal: তৃণমূল ছেড়ে ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের সদস্যপদ নিয়ে জটিলতা আরও বাড়ল। তাঁদের সাংসদ পদ খারিজের দাবিতে দায়ের হওয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে এবার প্রত্যেকের বক্তব্য জানতে চাইলেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সাত দিনের মধ্যে নিজেদের অবস্থান জানাতে বলা হয়েছে দলবদলকারী সাংসদদের। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভরাডুবির পর দলের একাধিক সাংসদ একযোগে তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেন। পরে তাঁরা এনডিএ সরকারকে সমর্থনের কথাও জানান। সংসদে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়-সহ একাধিক সাংসদের আসনও বদল করা হয়। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিআই সাংসদ হিসেবে স্বীকৃতি পাননি।
এই পরিস্থিতিতে বাদল অধিবেশন চলাকালীন লোকসভায় কালীঘাট তৃণমূলের দলনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় ওই ২০ সাংসদের সদস্যপদ খারিজের দাবি তোলেন। বিষয়টি নিয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠিও দেন তিনি। পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক। মঙ্গলবার সেই মামলাই ওঠে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে সওয়াল করেন সাংসদ তথা প্রবীণ আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।
শুনানিতে সলিসিটর জেনারেল আদালতকে জানান, দলত্যাগ বিরোধী আইনের অধীনে সাংসদদের সদস্যপদ খারিজের আবেদন নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রক্রিয়া শুরু করেছেন লোকসভার স্পিকার। অভিষেকের আবেদনের ভিত্তিতে ২০ জন সাংসদকেই পৃথক নোটিস পাঠানো হয়েছে এবং তাঁদের বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়েছে। তুষার মেহতা আরও জানান, বিষয়টির বর্তমান অবস্থান প্রধান বিচারপতির বেঞ্চকে অবহিত করার জন্য স্পিকারের দপ্তর থেকেই তাঁকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর পরই সুপ্রিম কোর্টও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে নোটিস জারি করে। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, কাকলি ঘোষ দস্তিদার-সহ দলবদলকারী ২০ সাংসদকে আদালতের নোটিস পাঠানো হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানি দু’সপ্তাহ পরে হওয়ার কথা।






