মাথায় টিকি, পরনে পৈতে? নিরামিষাশী প্রার্থীরাই পাবেন রামমন্দিরের প্রশাসনিক সর্বোচ্চ পদ
এই সিইও পদের আবেদনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় জীবনধারাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
Truth of Bengal: অযোধ্যার রামমন্দিরের সার্বিক প্রশাসন, পরিষেবা এবং আর্থিক কাজকর্ম পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো পূর্ণ সময়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ করতে চলেছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। সম্প্রতি মন্দিরের দানবাক্স ও অনুদানের টাকা এবং সোনায় গরমিলের মতো আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ সামনে আসার পরই এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো। দেশজুড়ে জমা পড়া ৫,৩০০-রও বেশি আবেদনপত্রের মধ্য থেকে প্রাথমিক বাছাই শেষে মাত্র ১৮ জনকে চূড়ান্ত তালিকায় রাখা হয়েছে। রামমন্দির চত্বরের উত্তরাংশে বন্ধ ঘরে গঠিত একটি বিশেষ বাছাই কমিটির অধীনে মঙ্গলবার ও বুধবার দুই দফায় তাঁদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হচ্ছে।
এই সিইও পদের আবেদনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি চাকরিপ্রার্থীর ব্যক্তিগত ও ধর্মীয় জীবনধারাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সাক্ষাৎকার পর্বে প্রার্থীদের গুগ্ল ফর্মের মাধ্যমে ধর্মীয় বিশ্বাস, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, পরিবার ও ভিড় নিয়ন্ত্রণের দক্ষতার পাশাপাশি টিকি রাখা, পৈতে পরা, মদ্যপানের অভ্যাস বা খাদ্যাভ্যাসের (আমিষ না নিরামিষ) মতো খুঁটিনাটি প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। মন্দির কর্তৃপক্ষের মতে, ‘প্রভু’ রামের প্রতি প্রার্থীর গভীর বিশ্বাস এবং রামমন্দিরের ধর্মীয় ও সামাজিক গুরুত্ব নিয়ে তাঁর সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকা বাধ্যতামূলক।
শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের নিয়ম অনুযায়ী, সিইও পদের অগ্রাধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই ধর্মপ্রাণ হিন্দু ও নিরামিষাশী হতে হবে এবং তাঁর বয়স ৫০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে হতে হবে। সাবেক বিচারপতি প্রমোদ কোহলি, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল বিষ্ণুকান্ত চতুর্বেদী এবং শিরডি সাঁইবাবা ট্রাস্টের সাবেক চেয়ারম্যান সুরেশ হাওয়ারের সমন্বয়ে গঠিত এই বাছাই কমিটি প্রতিটি প্রার্থীর ২৫ থেকে ৩০ মিনিট ধরে ইন্টারভিউ নিচ্ছেন। যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচনের মাধ্যমে ট্রাস্ট রামমন্দিরের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও মর্যাদা পুনপ্রতিষ্ঠা করতে চায়।






