‘আর্জেন্টিনার অবস্থা তৃণমূলের মতো!’ মেসির দলের রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর ইকো পার্কে বিস্ফোরক দিলীপ
শুক্রবার গভীর রাতে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের ম্যাচ নিয়ে আলোচনার সূত্রে তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেন তিনি
Truth of Bengal: তৃণমূলের বর্তমান অবস্থাকে এবার ফুটবল বিশ্বকাপের আর্জেন্টিনা ম্যাচের সঙ্গে তুলনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার গভীর রাতে আর্জেন্টিনা ও কেপ ভার্দের ম্যাচ নিয়ে আলোচনার সূত্রে তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, একসময় যাদের দাপটে সবকিছু চলত, সেই তৃণমূলের অবস্থাও এখন আর্জেন্টিনার মতো চাপে পড়ে যাওয়া দলের মতো। শুক্রবার গভীর রাতে আর্জেন্টিনা বনাম কেপ ভার্দের ম্যাচে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় পায় মেসির দল। তবে ম্যাচের এক পর্যায়ে গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো চাপে ফেলে দিয়েছিল কেপ ভার্দে। সেই প্রসঙ্গ টেনেই শনিবার সকালে ইকো পার্কে প্রাতঃভ্রমণের সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, “আর্জেন্টিনা বিশ্ববিখ্যাত দল। কিন্তু তাদের অবস্থাও এখন তৃণমূলের মতো হয়ে যাচ্ছে। যে তৃণমূলের কথায় একসময় পাতা নড়ত, সূর্য উঠত, সেই তৃণমূলের অবস্থা এখন দেখুন। দু’টি গ্রুপের লড়াই চলছে। ঘর দখলের লড়াই চলছে।”
দিলীপ আরও বলেন, আর্জেন্টিনা সম্পর্কে মানুষের ধারণা ছিল তারা অত্যন্ত শক্তিশালী দল। কিন্তু এক অখ্যাত দলও তাদের আটকে দিচ্ছে। তাঁর ইঙ্গিত, তৃণমূলের ক্ষেত্রেও এখন একই ছবি। একসময় সর্বশক্তিমান বলে দাবি করা দল আজ নিজেদের অন্দরেই বিভক্ত। শুক্রবার ইএম বাইপাসের ধারের তৃণমূল কার্যালয় ঘিরে দুই শিবিরের টানাপোড়েন প্রকাশ্যে আসে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির ওই কার্যালয়ে গিয়ে বসে এবং দরজায় নতুন তালা ঝুলিয়ে দেয়। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাট শিবিরের নেতা কুণাল ঘোষ, মদন মিত্ররা সেখানে গেলেও তালা থাকায় ভিতরে ঢুকতে পারেননি।কুণাল ঘোষ জানান, তাঁরা তালা ভাঙবেন না। তবে গোটা ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়। নিরাপত্তার জন্য এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিপুল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও শেষ পর্যন্ত বড় কোনও অশান্তি হয়নি।
এই কার্যালয় ‘দখল’ ইস্যুতেই তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, বাড়ির মালিক কাকে অধিকার দেবেন, সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু নিজেরাই গিয়ে তালা মেরে দেওয়া অন্যায়। তাঁর মতে, এই ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ হওয়া উচিত।তৃণমূলের পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রসঙ্গ টেনে দিলীপ আরও বলেন, “পাড়ার দুই গুন্ডা মারপিট করত, বোম মারত, মারা যেত সাধারণ মানুষ। এখনও সেই অভ্যাস যায়নি।” তাঁর কটাক্ষ, একুশের নির্বাচনের পর তৃণমূলের কর্মীরা বিজেপির পার্টি অফিসে তালা মারতেন। তখনই প্র্যাকটিস হয়েছিল, এখন সেই অভ্যাস নিজেদের পার্টি অফিসেই কাজে লাগছে।





