মেসি কাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের স্বস্তি কি এবার শেষ? হাইকোর্টের রক্ষাকবচকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে শতদ্রু
আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে
Truth of Bengal: মেসি কাণ্ডে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসকে সাময়িক রক্ষাকবচ দিয়েছিল কলকাতা হাই কোর্ট। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছিল, এই মুহূর্তে গ্রেপ্তারির মতো কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। তবে সেই নির্দেশে স্বস্তি পেলেও তদন্তে অরূপ বিশ্বাসের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। অভিযোগ, রক্ষাকবচ পাওয়ার পরও তিনি তদন্তে সহযোগিতা করেননি, এমনকি পুলিশের তলবও এড়িয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে এবার অরূপ বিশ্বাসকে দেওয়া রক্ষাকবচের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করলেন মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত। তাঁর আইনজীবীর তরফে মঙ্গলবার এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।
মেসি কাণ্ডে এর আগে একাধিকবার অরূপ বিশ্বাসকে তলব করেছিল পুলিশ। কিন্তু প্রতিবারই তিনি হাজিরা এড়িয়েছেন বলে অভিযোগ। পরে গ্রেপ্তারির আশঙ্কা থেকেই তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন বলে মনে করা হয়েছিল। সেই মামলাতেই সিঙ্গল বেঞ্চ অরূপকে আপাতত গ্রেপ্তার না করার নির্দেশ দেয়। তবে আদালত তাঁকে বেশ কয়েকটি শর্তও বেঁধে দেয়। আদালতের অনুমতি ছাড়া রাজ্য ছাড়তে পারবেন না তিনি। পাশাপাশি নিম্ন আদালতে পাসপোর্ট জমা রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়।রক্ষাকবচ দিলেও মেসি কাণ্ডে অরূপ বিশ্বাসের ভূমিকা নিয়ে আদালত তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। মেসির এত কাছাকাছি কীভাবে তিনি পৌঁছলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কিন্তু আদালতের শর্তসাপেক্ষ স্বস্তির পরও ১৫ জুনের হাজিরা এড়ানোর অভিযোগ উঠেছে প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। আর সেখান থেকেই নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
অরূপ বিশ্বাসকে রক্ষাকবচ দেওয়ার সিদ্ধান্তে শুরু থেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন শতদ্রু দত্ত। তিনি আগেই জানিয়েছিলেন, সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যাবেন। সেখানেও আশানুরূপ ফল না মিললে প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টের দরজাও কড়া নাড়বেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী এবার ডিভিশন বেঞ্চে মামলা দায়ের করলেন তিনি।গোটা ঘটনায় এখন একাধিক প্রশ্ন সামনে আসছে। রক্ষাকবচ থাকা সত্ত্বেও কেন পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করলেন না অরূপ বিশ্বাস? তিনি কোথায় রয়েছেন? তদন্তকারী সংস্থা এবার কী পদক্ষেপ করে? আগামী সপ্তাহে ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির দিকে তাই নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।






