রাজ্যের খবর

শিলিগুড়ি মহাকুমার মুরালিগঞ্জ চেকপোস্ট থেকে ২০কোটি টাকার ব্রাউন সুগার সহ গ্রেফতার ১

যদিও ধৃত নিজেকে বিএসএফের ইন্সপেক্টর বলে দাবি করেছেন।

Truth Of Bengal: ফের একবার মাদকের বিরুদ্ধে বড়সড় সাফল্য পেল দার্জিলিং জেলা পুলিশ। রবিবার গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে শিলিগুড়ি মহাকুমা পরিষদের অন্তর্গত ফাঁসিদেওয়া ব্লকের মুরালিগঞ্জ চেকপোস্ট এলাকায় অভিযান চালায় ফাঁসিদেওয়া থানার বিধান নগর তদন্ত কেন্দ্রের আধিকারিকরা। এরপর বিহারের দিক থেকে আসা একটি বিএসএফ লাগানো চারচাকা গাড়ি আটক করে। তল্লাশি চালানো হয় তবে কিছুটা নাম্বার প্লেটের জায়গায় সন্দেহ হয় পুলিশ কর্মীদের। এরপরেই নাম্বার প্লেট খোলা হয় গাড়িটির এবং বিশেষ চেম্বার থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমাণ ব্রাউন সুগার। এই ঘটনায় গাড়িতে থাকা একজনকে আটক করা হয় পরবর্তীতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে খবর ধৃতের নাম অলক কুমার রবিকর (৪০)। সে বিহারের কাটিহারের গুরুবাজার এলাকার বাসিন্দা। যদিও ধৃত নিজেকে বিএসএফের ইন্সপেক্টর বলে দাবি করেছেন। পাশাপাশি তার কাছ থেকে বিএসএফের আই কার্ড উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতের চারচাকা গাড়ি থেকে ৩কেজি ৩৪৯ গ্রাম ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্রাউন সুগারের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় কুড়ি কোটি টাকা। উদ্ধার হওয়া ব্রাউন সুগার বিহারের দিক থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল এবং শিলিগুড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যের ছক কষে ছিল।

এই ঘটনার সঙ্গে আর কে বা কারা জড়িত রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আগামীকাল অর্থাৎ সোমবার ধৃতকে শিলিগুড়ি মহাকুম আদলেতে তোলা হবে। ধৃত ব্যক্তি নিজেকে বিএসএফের ইন্সপেক্টর বলে দাবি করলেও পুলিশ জানিয়েছে ওই ব্যক্তি বিএসএফের ইন্সপেক্টর কিনা তা তদন্ত সাপেক্ষ। যদিও ধৃত ব্যক্তি পুলিশই জিজ্ঞাসা বাদে স্বীকার করেছেন যে এই মুহূর্তে তিনি ছত্রিশগড় পোস্টিং থাকলেও মেডিকেল লিবে রয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে ২০২৩ সালের ২০ মার্চ কিশানগঞ্জে অবৈধ মদ কারবারের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়েছিল। সেই সময়ও সে নিজেকে বিএসএফের ইন্সপেক্টর বলে দাবি করেছিল। তবে প্রশ্ন উঠছে একজন বিএসএফের ইন্সপেক্টর পদে কর্মরত তারপরও কিভাবে তিনি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। ধৃত ব্যক্তির আর কোন অন্য উদ্দেশ্য ছিল কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। দার্জিলিং জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে দার্জিলিং জেলাকে মাদক মুক্ত রাখতে মাদকের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযান চালানো হবে। কার্যত বলা যায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দার্জিলিং জেলা পুলিশের।

Related Articles