দলমার পথে ৬৩টি হাতির পাল! ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা চাষিদের
আলু বসানোর এই মরসুমে হাতির দল ফিরতে শুরু করায় ফেরার পথে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ।
কৈলাস বিশ্বাস, বাঁকুড়া: ৪ মাস পর ফের দলমার পথ ধরল বাঁকুড়ায় আসা হাতির দল। ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় আতঙ্কের প্রহর গুনছেন বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ। দফায় দফায় মোট ৬৩টি হাতি বড়জোড়ার সাহার জোড়া ও পাবয়ার জঙ্গল ছেড়ে পুরানো রুটে ফিরতে শুরু করেছে। আলু বসানোর এই মরসুমে হাতির দল ফিরতে শুরু করায় ফেরার পথে ব্যপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ।
প্রতি বছরের রুটিন অনুযায়ী চলতি বছরও আগস্ট মাসের গোড়ার দিকে খাবারের খোঁজে দলমা থেকে এ রাজ্যে এসে পৌঁছয় ৬৩টি হাতির দল। সেই দল পশ্চিম মেদিনীপুর হয়ে সটান গিয়ে হাজির হয় বাঁকুড়ার বড়জোড়া বনাঞ্চলের পাবয়া ও সাহারজোড়া এলাকায়। বিচ্ছিন্ন ও বিক্ষিপ্ত ভাবে জঙ্গলে জঙ্গলে হাতির দল ঘুরে বেড়ালে তাদের নিয়ন্ত্রণ অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। জঙ্গল লাগোয়া গ্রামগুলিতে ফসল ও সাধারণের সম্পত্তিহানির পাশাপাশি বৃদ্ধি পায় প্রাণহানির ঘটনাও।
সেই আশঙ্কায় গত চার মাস ধরে সাহারজোড়া ও পাবয়ার জঙ্গলের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় তারকাঁটা দিয়ে ঘেরা জায়গায় আটকে রাখা হয় হাতির দলকে। নির্দিষ্ট ও জায়গায় হাতিগুলির খাবারের যাতে কোনওরকম অভাব না হয় সেদিকেও কড়া নজর রাখে বন দফতর। কিন্তু আমন ধান তোলার মরসুম শেষ হতেই হাতির দল এবার পুরনো রুট ধরে ফিরতে শুরু করল দলমায়। বন দফতর সূত্রে জানা গেছে, মোট ৩টি দলে ভাগ হয়ে হাতিগুলি পশ্চিম মেদিনীপুর হয়ে দলমার পথ ধরেছে। হাতিগুলির যাত্রাপথে যাতে সর্বনিম্ন ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং যাতে হাতিগুলির নিরাপত্তাও বিঘ্নিত না হয় সে ব্যাপারে লাগাতার নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন দফতর।






