কলকাতা

হাত ধরে হাঁটা নিয়ে হাতাহাতি! ফের শিরোনামে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ঘটনাটি ঠিক কী?

বুধবার সন্ধ্যা বেলায় একদল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়ুয়া ও আর একদল কলা বিভাগের পড়ুয়ার মধ্যে বচসা শুরু হয়।

Truth Of Bengal: ফের বিতর্কের মাঝে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। চার পড়ুয়াকে ক্যাম্পাসে ঢোকা নিষিদ্ধ করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, কলেজের ছাত্রীকে কটুক্তি সহ নীতিপুলিশি চালাচ্ছিল ওই চার অভিযুক্ত। কিন্তু ঘটনার দিন ঠিক কী হয়েছিল?

বুধবার সন্ধ্যা বেলায় একদল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়ুয়া ও আর একদল কলা বিভাগের পড়ুয়ার মধ্যে বচসা শুরু হয়। জানা গিয়েছে, ওই চার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়ার নিদান ক‍্যাম্পাসের ভিতরে হাত ধরে হাঁটা যাবে না। সেই সঙ্গে ক্যাম্পাস প্রেম-পিরিতির জায়গা নয় বলেও তাঁদের দাবি। অভিযোগ উঠেছে, এই নীতিপুলিশির প্রতিবাদ করার জন্য কলা বিভাগের পড়ুয়াদের সঙ্গে বিবাদ বাধে। বচসা থেকে পরিস্থিতি পৌঁছয় হাতাহাতিতে। অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করা হয়েছে বলে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। এক ছাত্রকে ফেলে মারধরও করার অভিযোগ। অভিযুক্তরা হলেন কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র পৃথ্বীশ দাস, সৃজন সর্দার। প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়ুয়া অমিত ধীবর ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পড়ুয়া ধ্রুব মাহাত।

এই ঘটনার এক অভিযোগকারিনী হলেন পড়ুয়া অনুষ্ণা দাস। তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে দুজন ক্যাম্পাসের ভিতরে একটি ছেলে ও মেয়ে হাত ধরে হাঁটছিল। সেই সময় সৃজনরা ক্যাম্পাসের ভিতরে বসেছিল। আর নেশা করছিল। ওরা ওই ছেলে আর মেয়েটিকে প্রশ্ন করে ক্যাম্পাস কি প্রেম করার জায়গা? এটা কি পার্ক? যাদের বলেছিল, সেই ছেলে আর মেয়েটা যায় প্রশ্ন করেন কেন বলা হচ্ছে এই কথা? তখন সৃজন সর্দার ওই মেয়েটিকে হাত মচকে দেয়।”

এদিকে এই ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, ক‍্যাম্পাসের মধ্যে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। আর তার জন্য যা যা করতে হবে করবো। বিশ্ববিদ্যালয় চায় না যে কোনও পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ নষ্ট হোক।

Related Articles