শব্দবাজি নিয়ে কেন মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করার অনুরোধ জানালেন মিমি? কী বললেন অভিনেত্রী?
দীপাবলির মতো আনন্দের উৎসব অনেকের কাছেই যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায় শব্দবাজির অত্যধিক দাপটে।
Truth of Bengal: অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী তাঁর বাড়িতে সারাক্ষণই প্রিয় পোষ্যদের ভালোবাসায় ঘেরা থাকেন, সেই সুন্দর মুহূর্তগুলির ছবি তিনি প্রায়শই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে। তবে বছরের এই সময়টাতে, যখন চারিদিকে আলোর উৎসবের আয়োজন চলে, তখন শব্দদূষণের দাপটে তাঁর মন ভারাক্রান্ত থাকে রাস্তার অসহায় পশুদের কথা ভেবে। তাই কালীপুজোর ঠিক আগে তিনি তাঁর ভক্তদের কাছে এক বিশেষ আবেদন নিয়ে এসেছেন।
দীপাবলির মতো আনন্দের উৎসব অনেকের কাছেই যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায় শব্দবাজির অত্যধিক দাপটে। সম্প্রতি একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে মিমি এই বিষয়ে সকলকে সচেতন করার চেষ্টা করেছেন। তিনি বলেন, “এখনই সময় পশুপ্রেমীদের এগিয়ে আসার এবং সকল মানুষকে সচেতন করতে নিজেদের কণ্ঠস্বরকে জোরদার করার। দীপাবলির এই দিনগুলিতে আমাদের সকলেরই আরও বেশি করে মানবিক হওয়ার কথা ভাবা উচিত। আমার মনে হয়, আমরা সবাই জানি এই সময়টায় কী হয় এবং আসলে কী হওয়া দরকার।”
View this post on Instagram
শব্দবাজি নিয়ে সচেতনতা প্রচার করায় অনেকে মিমিকে প্রশ্ন করেন যে, যখন সারা পৃথিবীতেই বাজি পোড়ানো হয়, তখন আমরা কেন তা করতে পারব না? এমন প্রশ্নের জবাবে মিমি অবশ্য বিষয়টিকে পরিবেশ দূষণের দিক থেকে নয়, বরং মানবিকতার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করার আহ্বান জানান। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমি কাউকে বায়ুদূষণ নিয়ে কিছু বলতে চাই না। শুধু একটা কথাই বলতে পারি, মানবিকতাই আসল। বিশেষ করে রাস্তায় থাকা অবলা প্রাণীগুলোর কথা ভেবে আমাদের এটুকু ত্যাগ স্বীকার করা উচিত। একবার সেই প্রাণীগুলোর কথা ভাবুন, তাহলেই আমরা সকলে ভালো থাকতে পারব।”
পাশাপাশি, অভিনেত্রী অনুরোধ জানান যে, যাদের বাড়িতে বয়স্ক মানুষ আছেন বা পোষা পাখি ও পশুরা আছে, তাদের কথা ভেবেও যেন মানুষ শব্দবাজি এড়িয়ে চলেন। তাঁর মতে, “এই ধরনের ঘটনা (শব্দবাজির দাপট) অনেকের জীবনেই সমস্যা তৈরি করবে। তাই একবার দয়া করে বিষয়টি ভেবে দেখুন।” মিমি চক্রবর্তী চান, আলোর এই উৎসব সহমর্মিতা ও শান্তির বার্তা নিয়ে আসুক, যেখানে মানুষ ও পশুপাখি উভয়েই সুরক্ষিত থাকবে।






