দেশ

রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে কড়া জবাব ভারতের, কাশ্মীর ইস্যুতে ‘মিথ্যাচার’ বলল দিল্লি

ভারতের প্রতিনিধি পেটাল গহলট পাকিস্তানের অভিযোগকে ‘অযৌক্তিক নাটক’ বলে কটাক্ষ করেন।

Truth Of Bengal: রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সম্মেলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাশ্মীর নিয়ে  একাধিক ইস্যুতে পাক প্রধানমন্ত্রীকে তোপ দাগলেন ভারতের প্রতিনিধি পেটাল গহলট।  রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সম্মেলনের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কাশ্মীর নিয়ে মিথ্যাচার করেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের। কড়া জবাব দিল ভারতও। তবে তাঁর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চ থেকে কড়া জবাব দিল ভারত। ভারতের প্রতিনিধি পেটাল গহলট পাকিস্তানের অভিযোগকে ‘অযৌক্তিক নাটক’ বলে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, ‘গোটা বিশ্ব জানে পাকিস্তান কী করে। সারা বছর ধরে ভারতবিরোধী জঙ্গি নাশকতা চালিয়েই যুদ্ধ উন্মাদনা বজায় রাখে পাকিস্তান।’(United Nations)

আরও পড়ুনঃ Offbeat Destination: হাজারদুয়ারীর পাশেই লুকিয়ে আছে বাংলার সবচেয়ে বড় অসম্পূর্ণ মসজিদ, যা অনেকেই চেনেন না!

রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে শুক্রবার গভীর রাতে ভাষণ দেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ভারত কাশ্মীরবাসীর উপর ‘অত্যাচার’  চালাচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে। পাশাপাশি সিন্ধু জলচুক্তি ভঙ্গের অভিযোগও তোলেন তিনি। এর জবাবে নয়াদিল্লি পাকিস্তানের সন্ত্রাসবাদী যোগের ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়। গহলট বলেন, ‘পাকিস্তান হল সেই দেশ, যাদের পররাষ্ট্রনীতিরই অঙ্গ জঙ্গি তৈরি ও সরবরাহ। পহেলগাঁও হামলার মতো ঘটনা তার প্রমাণ।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘এই পাকিস্তানই বছরের পর বছর ধরে ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দিয়েছিল। দুর্ভাগ্যের বিষয়, সন্ত্রাসবাদীদের পর্যন্ত ওরা মহিমান্বিত করে।’ রাষ্ট্রসংঘে ভারতের প্রতিনিধি আরো বলেন, এই পাকিস্তানই পহেলগাঁও হামলার পর টিআরএফকে আড়াল করার চেষ্টা করেছিল। ওদের কোনও লজ্জা নেই।(United Nations)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/

বছরের পর বছর ধরে এই দেশেই আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল ওসামা বিন লাদেনকে। নয়াদিল্লির সাফ কথা পাকিস্তান হল সেই দেশ যারা জঙ্গি সরবরাহ করাকে তাদের বিদেশনীতির অংশ করে তুলেছে। পহেলগাঁও থেকে শুরু করে একাধিক ঘটনায় পাকিস্তানের জঙ্গি যোগ সামনে এসেছে। এরপরেই কাশ্মীর প্রসঙ্গে শাহবাজ শরিফের মন্তব্যকে সরাসরি ‘মিথ্যাচার’ বলে আখ্যায়িত করেছে ভারত। নয়াদিল্লির বার্তা স্পষ্ট—মিথ্যা ভাষণ বা নাটক করে সন্ত্রাসবাদকে আড়াল করা যায় না।(United Nations)

 

Related Articles