আন্তর্জাতিক

জি২০-তে সোজাসাপ্টা জবাব ভারতের বিদেশমন্ত্রীর

অর্থনৈতিক ভাবে সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে জ্বালানি-সহ অন্য বিষয়গুলি অনিশ্চিত করে তোলা যে কারও পক্ষেই লাভজনক নয় ।

Truth Of Bengal: শান্তিই উন্নয়নের ভিত্তি, তবে উন্নয়নকে হুমকির মুখে ফেলে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এই হুমকি বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। তাই সন্ত্রাসবাসী কার্যকলাপের প্রতি কোনও সহানুভূতি দেখানো চলবে না। অর্থনৈতিক ভাবে সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে জ্বালানি-সহ অন্য বিষয়গুলি অনিশ্চিত করে তোলা যে কারও পক্ষেই লাভজনক নয় । জি ২০ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে এমনই বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। দক্ষিণ আফ্রিকার আয়োজনে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন তিনি। আর সেখান থেকেই শান্তির বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী।(Peace Diplomacy)

বৈঠক থেকেই জয়শঙ্কর বলেন, অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় সামগ্রীর অনিশ্চয়তা কোনও দেশের জন্যই সহায়ক নয়। তাঁর কথায়, সংলাপ ও কূটনীতি বাড়ানো হোক, ঝামেলার দিকে নয়।বিদেশমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়কে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আপোষহীন অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যারা সন্ত্রাসবাদ দমনে সক্রিয়, তারা আন্তর্জাতিক সমাজের জন্য বড় ধরনের সেবা দিচ্ছে।সেইসঙ্গে ইউক্রেন ও গাজা সংকটের প্রসঙ্গ টেনে জয়শঙ্কর জানান, চলমান সংঘাত শক্তি, খাদ্য ও সার নিরাপত্তায় গভীর প্রভাব ফেলছে। শুধু সরবরাহ ও লজিস্টিক সমস্যাই নয়, ব্যয় ও নিরাপত্তার চাপও দেশগুলিকে বিপদে ফেলছে। তাঁর মতে, এ ক্ষেত্রে দ্বৈত নীতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদ ও বহুপাক্ষিকতার সীমাবদ্ধতা আজ “শান্তির চিরস্থায়ী বিঘ্নকারী” হয়ে দাঁড়িয়েছে।(Peace Diplomacy)

জাতিসংঘের অক্ষমতাও এই প্রেক্ষাপটে চোখে পড়ছে। তাই জি২০ সদস্যদের আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় বিশেষ দায়িত্ব নিতে হবে।জয়শঙ্করের মতে, এই লক্ষ্য পূরণ সম্ভব হবে সংলাপ ও কূটনীতি গ্রহণ, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ এবং শক্তি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তার গুরুত্ব বোঝার মাধ্যমে।সংঘাত নিরসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি সংঘাতে এমন কিছু দেশ থাকে, যারা দুই পক্ষের সঙ্গেই সংলাপ করতে সক্ষম। শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাদের অবদানকে কাজে লাগানো উচিত এবং সংলাপ উৎসাহিত করা অপরিহার্য।(Peace Diplomacy)