Google StopNCII: আপনার ব্যক্তিগত ছবি আর অনলাইনে ছড়াবে না! কীভাবে কাজ করবে এই ব্যবস্থা?
এই পদ্ধতিটি কাজ করবে একটি বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে, যাকে বলা হয় "হ্যাশ" (hash)। এই হ্যাশ হল এক ধরনের ডিজিটাল বারকোড, যা ছবির জন্য একটি অনন্য পরিচয় তৈরি করে।
Truth of Bengal: গুগল এবার StopNCII-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে অনলাইনে অশালীন ছবি ছড়ানো বন্ধ করতে চলেছে। এই নতুন উদ্যোগের ফলে ভুক্তভোগীরা সহজেই তাদের ব্যক্তিগত ছবি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে মুছে ফেলতে পারবেন। এই ব্যবস্থা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চালু হবে। এই পদ্ধতিটি কাজ করবে একটি বিশেষ প্রযুক্তির মাধ্যমে, যাকে বলা হয় “হ্যাশ” (hash)। এই হ্যাশ হল এক ধরনের ডিজিটাল বারকোড, যা ছবির জন্য একটি অনন্য পরিচয় তৈরি করে। যখন কোনো ব্যবহারকারী তাদের ব্যক্তিগত ছবি StopNCII-এর ওয়েবসাইটে আপলোড করেন, তখন সেই ছবিটি একটি হ্যাশে রূপান্তরিত হয়। এই হ্যাশটি অংশীদার প্ল্যাটফর্মগুলোর সাথে শেয়ার করা হয়, যাতে তারা সেই হ্যাশের সাথে মিলে যাওয়া কোনো ছবি পুনরায় আপলোড হলে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্লক করতে পারে, ছবিটি না দেখেই (Google StopNCII)।
Google has been slow to adopt StopNCII’s system, as its partnership with the nonprofit comes a year after Microsoft integrated the tool into Bing. https://t.co/Q8ZaRbQF4l
— TechCrunch (@TechCrunch) September 18, 2025
StopNCII সংস্থাটি জানিয়েছে, একবার হ্যাশ তৈরি হয়ে গেলে, মূল ছবিটি শুধুমাত্র ব্যবহারকারীই দেখতে পাবেন। কোনো অংশীদার প্ল্যাটফর্মই ছবিটি দেখতে পাবে না।গুগল ছাড়াও, এর আগে আরও অনেক বড় প্রযুক্তি সংস্থা StopNCII-এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে Facebook, Instagram, Reddit, OnlyFans, TikTok, Bumble এবং Microsoft-এর Bing সার্চ ইঞ্জিন। এতদিন গুগল এই উদ্যোগে যুক্ত না হওয়ায় অনেকে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এপ্রিল ২০২৪-এ যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্যরা এ বিষয়ে জানতে চাইলে গুগল জানায়, তাদের “ডেটাবেসের কার্যকারিতা নিয়ে কিছু নীতিগত ও ব্যবহারিক উদ্বেগ” ছিল। তবে বুধবার গুগলের লন্ডন অফিসে আয়োজিত একটি সম্মেলনে সংস্থাটি ঘোষণা করে যে, এই উদ্বেগগুলো দূর করা সম্ভব হয়েছে এবং তারা এখন এই অংশীদারিত্বে যুক্ত হতে প্রস্তুত (Google StopNCII)।
যাদের ব্যক্তিগত ছবি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে, তারা এই পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন।
- প্রথমেই ব্যবহারকারীকে StopNCII-এর ওয়েবসাইটে https://stopncii.org/create-your-case/ গিয়ে তাদের ছবিটি আপলোড করতে হবে।
- ছবি আপলোড করার পর একটি কেস নম্বর ও একটি পিন তৈরি হবে। এটি অবশ্যই লিখে রাখা দরকার, কারণ এটি হারিয়ে গেলে কেসটি আর দেখা যাবে না।
- এই কেস নম্বর ব্যবহার করে যেকোনো সময় কেসের অগ্রগতি দেখা যাবে এবং প্রয়োজন হলে কেসটি প্রত্যাহারও করা যাবে।
অংশীদার প্ল্যাটফর্মগুলো তাদের সিস্টেমে এই হ্যাশের সঙ্গে মিলে যাওয়া কোনো ছবি খুঁজে পেলে তা তাদের নীতিমালা অনুযায়ী সরিয়ে দেবে। নাবালকদের ক্ষেত্রে, Takeitdown.ncmec.com প্ল্যাটফর্ম একই ধরনের পরিষেবা প্রদান করে। এই পদক্ষেপের ফলে অনলাইন হয়রানির শিকার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য একটি বড় স্বস্তির খবর এসেছে। গুগল যেহেতু সার্চ ইঞ্জিনের বাজারে অন্যতম প্রধান খেলোয়াড়, তাই তাদের এই অংশীদারিত্ব অনলাইনের নিরাপত্তা বাড়াতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে (Google StopNCII)।






