Stepmother Abuse: সৎ মায়ের অত্যাচারের অভিযোগ! থানার দ্বারস্থ নাবালিকা
A 14‑year‑old student from Thumkathi Junior High School in Canning, West Bengal, filed a formal complaint after enduring years of domestic verbal abuse, forced labour, and physical violence.
Truth Of Bengal: ক্যানিং, লোকেশ হালদার: দিনের পর দিন সৎ মা অত্যাচার করে। সর্বক্ষণ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। সংসারের সব কাজ করতে হয় বছর চোদ্দ ঐ নাবালিকাকে(Stepmother Abuse)। কিন্তু কাজে কোথাও ভুল হলে জোটে চরম মারধর। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে এই অত্যাচার সহ্য করে আসছে ক্যানিংয়ের থুমকাঠি জুনিয়র হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী নাজিরা মোল্লা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শনিবার বিকেলে ক্যানিং থানার দ্বারস্থ হয় নাজিরা। তার উপর অত্যাচারের সমস্ত ঘটনা খুলে বলেন কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের। নাজিরার কথা শুনে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
Stepmother Abuse: সৎ মায়ের অত্যাচারের অভিযোগ! থানার দ্বারস্থ নাবালিকা pic.twitter.com/Qwg8xndo4Y
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) August 3, 2025
[আরও পড়ুনঃ Fatal Accident: আমেরিকায় ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত চার]
নাজিরার যখন দু বছর বয়স তখন তার মা ছবি মোল্লার মৃত্যু হয়। কিছুদিন বাদে বাবা নজরুল মোল্লা দ্বিতীয় বিয়ে করেন। প্রথম প্রথম নাজিরার সৎ মা মামনি মোল্লা কিছু না বললেও তার বয়স বাড়ার সাথে সাথে অত্যাচার শুরু করেন নাজিরার উপর(Stepmother Abuse)। বছর পাঁচেক বয়স থেকেই সংসারের কাজ তাকে দিয়ে করাতে থাকেন মামনি। বাসন মাজা থেকে শুরু করে আনাজ কাটা, ঘর ঝাড় দেওয়া, মোছা সবই করতে হয় ছোট মেয়েটিকে। কিন্তু এসব করেও রেহাই নেই। সারাক্ষন তাকে গালিগালাজ করে বলেও অভিযোগ।
FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal
এরপর বাবা কাজ থেকে ফিরলে তাকে দিয়ে নাজিরাকে মারও খাওয়ান মামনি। কিন্তু তাতেও মন না ভরলে নিজে বেধড়ক মারধর করেন(Stepmother Abuse)। শুক্রবার রাতেও নাজিরার উপর ভীষণ ভাবে শারীরিক অত্যাচার করেন তার সৎ মা। সেই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে শনিবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে সোজা ক্যানিং থানায় হাজির হয় সে। যদিও নাজিরার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তার সৎ মা ও বাবা। তাদেরকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। নাবালিকা এতই আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে যে তাকে কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করা হচ্ছে ক্যানিং থানার তরফ থেকে।






