দেশরাজ্যের খবর

Migrant Harassment: ওড়িশায় কাজ করতে গিয়ে হেনস্তার গল্প শোনালেন হুগলির দেবাশিস

Truth Of Bengal: সম্প্রতি, একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্য থেকে উঠে আসছে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের হেনস্তার খবর। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই ব্যাপারে সরব হয়েছেন(Migrant Harassment)। গোটা রাজ্য চিন্তাপ্রকাশ করেছে এই ইস্যুতে। এই সংক্রান্ত মামলাও চলছে কলকাতা হাই কোর্টে। আদালতের তরফ থেকে রাজ্যকে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেমনি প্রশ্নের মুখে পড়েছে কেন্দ্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকও। রিপোর্টও চাওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন: SATSA Outreach: সামাজিক দায়বদ্ধতায় দৃষ্টান্ত স্থাপন, ঊষাগ্রামে আবাসিক ছাত্রীদের পাশে সাটসা]

এরই মাঝে ওড়িশায় কাজ করতে গিয়ে নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন হুগলি জেলার চুঁচুড়া ২ নং রবীন্দ্রনগরের দেবাশিস দাস(Migrant Harassment)। তিনি অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার কাজ করেন এবং নানা বাধা কাটিয়ে শনিবার নিজের বাড়িতে ফিরেছেন। তাঁর অভিযোগ, বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় পুলিশ তাঁদের বাংলাদেশী সন্দেহে হেনস্তা করে। এখানেই শেষ নয়, তিনি আরো জানান যে মোবাইল কেড়ে নেওয়ার জেরে পরিবার বা ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি এবং অবশেষে পাসপোর্ট দেখিয়ে ছাড়া পেয়েছেন।

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

দেবাশিস বলেন, “এর আগে অন্য জায়গায় কাজ করতে গেছি। কিন্তু এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়নি। এখন তো বাইরে কাজে যেতেও ভয় লাগছে। আবার ভাবছি না গেলে পেট চলবে কি করে(Migrant Harassment)।” অন্যদিকে মা বিভা দাস বলেন, “প্রথমে মনে হচ্ছিল যে ওর সঙ্গে আর দেখা হবে না। ওর ফোন পেতে একটু শান্তি পেলাম। কোন ভরসায় ছেলেকে বাইরে ছাড়বো? এটা চলতে থাকলে তো বাংলার মানুষ কোন কাজই করতে পারবে না। কি করে এমনটা হয় সমস্ত প্রমাণপত্র থাকা সত্ত্বেও? সরকারের এটা নিয়ে ভাবা উচিত। আজ আমাদের ছেলের সঙ্গে হচ্ছে। কাল অন্য কারোর সঙ্গে হবে। এগুলো চলতে দেওয়া যায় না। কই আমাদের এখানে তো এমনটা হয় না।”

Related Articles