রাজ্যের খবর

DVC: ডিভিসি জল ছাড়য় ফের বন্যার আশঙ্কা ! আশঙ্কায় বাঁকুড়ার চাষিরা

বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের রাধামোহন পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দামোদর নদ। ‌

Truth of Bengal: রাজ্য সরকার বারবার বলা সত্ত্বেও ড্রেজিং করেনি ডিভিসি। (DVC) জলাধারে জল ধারণ ক্ষমতা না থাকায় তাই  জল ছাড়তে হয় কেন্দ্রীয়  সংস্থাকে। একথা সবার জানা। তবুও ডিভিসি কোনও চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স নীতি মানছে না।তাই ঝাড়খণ্ডে বৃষ্টি হলেই অহেতুক জল ছাড়া হয় ডিভিসির তরফ থেকে। এরমাঝে আরও ৪১,৬০০কিউসেক জল ছেড়েছে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন। এর আগে ৬৪ হাজার কিউসেকের বেশি জল ছেড়েছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা। যারজন্য রাজ্যের একাধিক এলাকা প্লাবিত। মেদিনীপুর, হুগলির মতোই বাঁকুড়াতেও বন্যা পরি্থিতি চিন্তা বাড়িয়েছে কৃষকদের।কৃষকরা ভাবছে,বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হলে চাষের দফারফা হতে পারে। কৃষকদের মাঠ ভর্তি সবজি জমির কী হবে ? সবটাই কী মাঠে মারা যাবে,নাকি ঘুরে দাঁড়ানো যাবে, আশা –আশঙ্কার দোলাচলে চাষিরা। দামোদর নদ ফুঁসতে থাকায় শঙ্কা বাড়ছে।

[আরও পড়ুনঃ India Evacuates Students from Iran: ইরান থেকে উদ্ধার ১১০ ভারতীয় পড়ুয়া, এখনও আটকে ৭০০ কাশ্মীরি]

এই পরিস্থিতিতে গতবারের মতো চাষের জমি জলের তলায় চলে গেলে কৃষকদের বেঁচে থাকার উপায় থাকবে না, কৃষকদের আতঙ্ক ধরাচ্ছে ডিভিসি (DVC) , অত্যন্ত সতর্ক বাঁকুড়া জেলা প্রশাসন। বাঁকুড়া জেলার সোনামুখী ব্লকের রাধামোহন পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেশ কয়েকটি গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দামোদর নদ। ‌প্রতিবছর DVC র ছাড়া জলে এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। এই এলাকায় ১০০ শতাংশই মানুষ কৃষিজীবী। গত বছর DVC র ছাড়া জলে বন্যায় কৃষকদের কয়েকশো বিঘা জমি জলের তলায় চলে যায়। জলমগ্ন হয়ে পড়েছিল কৃষকদের বাড়িঘর। ঘর ছাড়া হয়েছিল বহু কৃষক পরিবার। এবারও বেশ কয়েকদিন ধরেই টানা বৃষ্টির জেরে দফায় দফায় DVC জল ছাড়তে শুরু করেছে। স্বাভাবিকভাবেই দামোদর নদের জলস্তর বাড়ছে। গত বছরের ভয়ঙ্কর বন্যার স্মৃতি ফেরাচ্ছে তাদের চোখে মুখে। এবারো কি তাদের ঘরছাড়া হতে হবে? এই মুহূর্তে কৃষকদের মাঠ ভর্তি ভরা সবজি। মহাজনের কাছে ঋণ নিয়ে চাষ করেছেন কৃষকরা। কেউ কেউ আবার ভাগ চাষী রয়েছে।

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]

কৃষকদের  জমি জলের তলায় চলে গেলে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে। রাজ্য সরকারের বাংলা শস্য বীমাই তাঁদের ভরসা। কৃষকবন্ধু-র মতো প্রকল্পের অনুদান আর বাংলা শস্য বীমা মেহনতী মানুষগুলোকে ঘুরে দাঁড়ানোর লড়াইতে কিছুটা স্বস্তি দেয় বলে কৃষক সংগঠনগুলো মনে করে।(DVC)

 

Related Articles