রাজ্যের খবর

প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করার লক্ষ্যে সীমান্ত পাহারায় মৌমাছি

Bees guard the border to strengthen the defense system

Truth Of Bengal :  প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করার লক্ষ্যে সীমান্ত পাহারায় কাজে লাগানো হচ্ছে মৌমাছিদের ।  অনুপ্রবেশ রুখতে  রাজ্যে এই প্রথম মৌমাছিদের এইভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে।নদিয়ার কাঁদিপুর সীমান্তে ৩২ নম্বর ব্যাটেলিয়ান বিএসএফের উদ্যোগে মধু চাষের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কর্মশালার মাধ্যমে।একদিকে সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করা আর অন্যদিকে বেকারদের রোজগারের সংস্থান করাই লক্ষ্য সরকারের।

জৈব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সীমান্ত সুরক্ষার বুনিয়াদ শক্তিশালী করা হচ্ছে।কাঁটাতারহীন সীমান্তে মানুষ না থাকলে নজর রাখবে মৌমাছিরা। সীমান্তে অনুপ্রবেশ, চোরাচালান, পাচার রুখতে কাদিপুরে মৌমাছিদের দিয়ে জৈব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুরক্ষার ইতিহাস তৈরি করেছে। চেন্নাই থেকে জাতীয় জীব বৈচিত্র্য কর্তৃপক্ষের একটি দল কাদিপুরে পরিদর্শন করে। দেশের সুরক্ষার প্রয়োজনে জীব বৈচিত্র্যকে যুক্ত করার প্রয়াস অভিনব ভাবনা। পাইলট প্রজেক্ট ঠিকঠাক কাজ করলে সীমান্তের একাধিক সমস্যার সমাধান হবে বলে বিএসএফ মনে করছে।(

নদীয়ার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ২২২ কিমি এলাকায় নতুন দিগন্তও খুলে যাবে। জানা গিয়েছে, জাতীয় জীব বৈচিত্র্য কর্তৃপক্ষ, বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স ও আয়ূষ মন্ত্রকের সহায়তায় নদীয়ায় কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকের গেদে বর্ডারের কাদিপুর অংশে কাঁটাতারের পার্শ্ববর্তী স্থানে মৌমাছি চাষ শুরু করা হচ্ছে। ওই এলাকায় বসানো হচ্ছে মৌমাছির বাক্স বা বি বক্স। মৌমাছিদের মধু সংগ্রহের জন্য নিকটবর্তী জায়গায় গড়ে তোলা হচ্ছে ভেষজ উদ্যান। জানা গিয়েছে, এটা পাইলট প্রজেক্ট হচ্ছে। সীমান্তের এই এলাকায় ৪০টি মতো বি বক্স বা মৌমাছির বাক্স লাগানো হয়েছে। সেখান থেকেই মৌমাছি তার মধু সংগ্রহ করবে। একইসঙ্গে বংশবিস্তার করবে। কোনও সময়ে কাঁটাতারের সীমানায় আঘাত লাগলে মৌমাছিরা বেরিয়ে এসে শত্রুপক্ষকে আক্রমণ করবে।

মৌমাছিরা কাঁটাতারের নীচে  যে ভেষজ উদ্যানে থাকবে,সেখানে বিরাট এলাকাজুড়ে শতমূলী, একাঙ্গী, তুলসী, অ্যালোভেরা ইত্যাদি চাষ করা হবে।ভেষজ উদ্ভিদ চাষ, মধু সংগ্রহের পাশাপাশি হবে কর্মসংস্থানও। আবার সীমান্ত সুরক্ষার কাজও হবে।

Related Articles