কলকাতারাজ্যের খবর

গণনা-অশান্তি নিরাপত্তায় ৭০০ কোম্পানি বাহিনী, ভোটের পরে অশান্তি ঠেকাতে ৫০০ কোম্পানি

এরমধ্যে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী রাখা হবে ভোট পরবর্তী হিংসা মোকাবিলার জন্য।

Truth of Bengal: পোস্ট পোল ভায়োলেন্স’ অথবা ‘ নির্বাচন পরবর্তী হিংসা ‘। যাকে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী গণতন্ত্রে “ব্ল্যাক স্পট” বলে মনে করে নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটদানের পর এবার এই হিংসাত্মক কার্যকলাপ রুখতে এবার “সর্বোচ্চ সতর্কতা” নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। স্ট্রংরুম নিরাপত্তা থেকে ভোটগণনা এবং গণনার অব্যবহিত পরেই রাজ্যজুড়ে স্থিতিশীলতা বজায় এবং অশান্তি প্রতিরোধে বহুস্তরীয় নিরাপত্তার জন্য ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এরমধ্যে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী রাখা হবে ভোট পরবর্তী হিংসা মোকাবিলার জন্য।

আগামী ৭ মে-র মধ্যে নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা রাজ্যে। গত বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে ভোট প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরও হিংসা দমনে কোনও শিথিলতা চায় না নির্বাচন কমিশন। সেজন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া শেষের নির্দিষ্ট মেয়াদ পেরনোর পরেও রাজ্যে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং যতদিন প্রয়োজন তাদের রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচনী কর্তারা। কমিশন জানিয়েছে, “ভোট-পরবর্তী সময়কালে এমন একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে আমর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে আইনের শাসন থাকবে এবং প্রতিটি নাগরিক সুরক্ষিত থাকবেন।” সেকারণেই, ভোটগণনা কেন্দ্র থেকে শুরু করে রাজ্যের প্রত্যন্ত এলাকা পর্যন্ত– সর্বত্রই ভোট-পরবর্তী হিংসা প্রতিরোধ করতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করতে কমিশন একাধিক সতর্কতামুলক ব্যবস্থা নিয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য, প্রতিটি ভোটগণনা কেন্দ্রে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে বিশেষ টহলদারির ব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশন এবং মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে তাৎক্ষণিক নজরদারিও চালানো হবে।

বেআইনি কার্যকলাপ ঘটলে সংশ্লিষ্ট দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ করা হবে। কোথাও কোনও বেআইনি ঘটনা ঘটলে সাধারণ মানুষ যাতে কমিশনে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারেন তার জন্য ১৮০০ ৩৪৫ ০০০৮ – এই হেল্পলাইন নম্বরে জানাতে পারবেন ও [email protected] এই ই-মেলেও জানাতে পারবেন। দু’ক্ষেত্রেই অভিযোগকারীর পরিচয় গোপন থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

Related Articles