রাজ্যের খবর

নারীদের স্বপ্নপূরণের প্রশিক্ষণ দান, ময়দান কাঁপাবে দামাল মেয়েরা

Women's Football Academy completed in Kashipur Purulia

The Truth of Bengal: পুরুলিয়ার কাশীপুরে মহিলা ফুটবল অ্যাকাডেমির কাজ সম্পন্ন করতে তত্পর পর। প্রশাসনিক সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই প্রকল্পের সূচনা করেন। দ্রুত কাজ শেষ করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন।জেলায় জেলায় মহিলা ফুটবলার তৈরির ভাবনাকে সার্থক করতেই এই মহিলা ফুটবল অ্যাকাডেমি গড়া হচ্ছে বলে প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন।

জঙ্গলমহলের…..মহিলা ফুটবলাররা পায়ের জাদুতে মাত করে দিয়েছেন।অনেক কৃতী ফুটবলার এখন ময়দানের গর্ব হয়ে উঠেছেন।সেরকমই সবুজের বুক চিরে একদল দামাল মেয়ে যাতে পুরুলিয়াতেও দাপিয়ে বেড়াতে পারে সেজন্য মহিলা ফুটবল অ্যাকাডেমি তৈরিতে উদ্যোগী হয়েছে প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক কর্মসূচিতে এসে এই প্রকল্পের সূচনা করেন। ২০১৫তে  নারী বাহিনীর ময়দান কাঁপানোর লড়াইয়ের স্বপ্ন সার্থক করতে এই মহিলা ফুটবল অ্যাকাডেমি নির্মাণের কাজ শুরু হয়। অধিকাংশ কাজ শেষ হয়ে গেলেও কিছুটা কাজ বাকি ছিল। বাকি কাজ শেষ করে মহিলা ফুটবল অ্যাকাডেমি নির্মাণের কাজ শেষ করার দিকে নজর দিল প্রশাসন।ফুটবলের জগতে নিঃশব্দ বিপ্লব আনার পণ করে মেয়েরাও তাঁদের পায়ের কেরামতি দেখাতে বদ্ধপরিকর। প্রথমে ২কোটি টাকার কাজ হয়েছিল।পরে আরও অর্থ দেয় রাজ্য সরকার।এখন ক্রীড়া দফতরের প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখেন।

কাশীপুরের বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া এই অ্যাকাডেমি গড়ার বিষয়ে ভূমিকা নেন। উল্লেখ্য, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে  পুলিশের উদ্যোগে চালু হয়েছিল ‘জঙ্গলমহল কাপ’। এরপর ৩ জেলায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মেয়েদের ফুটবল। মাওবাদী সন্ত্রাসমুক্ত জঙ্গলমহলে পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা জঙ্গলমহল ফুটবল কাপের সূচনা হয়।তাতে ব্যাপক সাড়া মেলে। সেই পথ ধরেই পুরুলিয়ার কাশীপুরে মহিলাদের একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট হয় স্থানীয় বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়ার উদ্যোগে। সেই খেলায় শুধুমাত্র ওই একটি বিধানসভা এলাকা থেকেই তিনশোরও বেশি মহিলা ফুটবল দল মাঠে নামে।আশা করা হচ্ছে এই নতুন মহিলা ফুটবল অ্যাকাডেমি,লালমাটির জেলা তো বটেই পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলো থেকে আরও অনেক ফুটবলের জাদুকর তৈরি করবে।যাঁরা সবুজ মাঠের ওপর স্বপ্ন বুনবে,সার্থক করবে বাংলার বিশ্বজয়ের মিশনকে।

Related Articles