রাজ্যের খবর

সমস্যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যুবতী, দ্রুত সমাধানের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

The Chief Minister directed Yuvati to the Chief Minister for a quick solution to the problem

The Truth of Bengal: যা বলেন তাই করেন। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এটা অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। তিনি শুধু নির্দেশ দিয়ে দায় সারেন না। ঠিক মতো যাতে কাজ হয় সেদিকে নজর রাখেন। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারি পরিষেবা অনুষ্ঠানে এসেছিলেন কোচবিহারে। মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থলে যাওয়ার রাস্তা ছিল কড়া নিরাপত্তার চাদরে মোড়া। সভা শেষ মুখ্যমন্ত্রী যখন হেলিপ্যাডের উদ্দেশে হেঁটে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই নিরাপত্তাবলয় ভেঙে রূপসানা পারভিন নামে এক মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এসে তাঁর সমস্যার কথা জানায়। মুখ্যমন্ত্রী মন দিয়ে তাঁর কথা শোনেন। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন জেলাশাসককে।

তিনটি যমজ সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। স্বামী দিনমজুরি করতেন। এখন অসুস্থ। অনেকের কাছে একটা কাজের সন্ধান চেয়েও ফল পাওয়া যায়নি। অবশেষে নিরাপত্তা বলয় টপকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দুঃখের কথা জানিয়েছিলেন তুফানগঞ্জ-এর বাসিন্দা রূপসানা পারভিন। জেলাশাসককে সমস্যা সমাধানের নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা মতো কাজ। পরদিন তাঁকে ডেকে পাঠান জেলাশাসক। তিন সদ্যোজাত সন্তান নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছে যান জেলাশাসকের দফতরে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মতো রূপসানাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন জেলাশাসক অরবিন্দ কুমার মিনা।

তিনি জানান, যোগ্যতা অনুযায়ী বিবেচনা করে তাঁর সংসার যাতে সুষ্ঠুভাবে চলে, সেই ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি সরকারি বেশ কিছু প্রকল্পের সুবিধা তিনি পাচ্ছেন বলে জানান জেলাশাসক। মুখ্যমন্ত্রী হলেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে নন। সহজেই তাঁর নাগাল পাওয়া যায়। যে কোনও সমস্যার কথা তাঁকে বলা যায়। কারণ, তিনি অবলীলায় মিশে যান সাধারণ মানুষের সঙ্গে। মানুষের সুখ-দুঃখের শরিক হন। যতটা পারেন আন্তরিক ভাবে মানুষের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন। শুধু নির্দেশ দিয়ে দায় সারেন না। অসহায়ের সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত নজর রাখেন। রাজনীতিতে তিনি কঠোর হলেও মানুষের কাজে তিনি মানবিক। মানুষের দুঃখে তাঁর হৃদয় কাঁদে। এটাই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। বারবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই ভাবে দেখেছে রাজ্যের মানুষ।

Related Articles