পয়লা বৈশাখে কি কালবৈশাখীর তাণ্ডব? হাওয়া অফিসের বড় আপডেট জানুন
নতুন জামা পরে বেরোনোর আগে সাবধান! নববর্ষের দিনই বৃষ্টির চোখরাঙানি, পকেটে রাখুন ছাতা।
Truth of Bengal: চৈত্র শেষের দহনজ্বালায় পুড়ছে বাংলা, কিন্তু নতুন বছরের সকালেই কি মিলবে শান্তির বারুদ? ১৪ এপ্রিল চৈত্র সংক্রান্তির সকালে দক্ষিণবঙ্গ-জুড়ে ভ্যাপসা গরম আর আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বজায় থাকলেও, কাল অর্থাৎ ১৫ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের উৎসবে জল ঢালতে পারে প্রকৃতি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নববর্ষের আনন্দ আর কালবৈশাখীর তাণ্ডব, দুই-ই এবার হাত ধরাধরি করে আসতে চলেছে।
আজ মঙ্গলবার দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ার মতো জেলাগুলিতে লু-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। রোদের তেজ এতটাই থাকবে যে বাইরে বেরোনো দুষ্কর হয়ে পড়বে। আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তির কারণে ঘাম ঝরবে দরদর করে। তবে এই অস্বস্তিকর গরমের মেয়াদ আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা।
হাওয়া অফিস তাদের বিশেষ বুলেটিনে জানিয়েছে, ‘‘কাল ১৫ এপ্রিল পয়লা বৈশাখের দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বা কালবৈশাখী বইতে পারে।’’ বিশেষত দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বিকেলের দিকে আবহাওয়া পরিবর্তনের সম্ভাবনা বেশি। ঝোড়ো হাওয়ার জেরে উৎসবের প্যান্ডেল বা মেলায় বিপত্তি ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
তবে বৃষ্টির জেরে এক ধাক্কায় পারদ বেশ কিছুটা নামবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংক্রান্তির দহন পার হয়ে বৈশাখের প্রথম দিনের এই বৃষ্টি তীব্র দাবদাহ থেকে সাময়িক স্বস্তি দেবে দক্ষিণবঙ্গবাসীকে। বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকলেও বাঙালির আবেগের নববর্ষে এর কতটা প্রভাব পড়ে, এখন সেটাই দেখার।



