স্কুলছুট বন্ধ করতে নয়া দিশা, সুন্দরবন অঞ্চলে শিক্ষার ‘মুক্তি’
মুক্তির আনন্দে আনন্দিত এলাকাবাসী।
গোপাল শীল, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা: সুন্দরবনের বিভিন্ন প্রান্তে শিক্ষার আলো জ্বালাচ্ছে ‘মুক্তি’। প্রত্যন্ত এলাকার পড়ুয়াদের স্কুলছুট কমিয়ে এনেছে শিক্ষার এই নয়া দিশা। মুক্তির আনন্দে আনন্দিত এলাকাবাসী।
সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে এক অনন্য উদ্যোগের নাম মুক্তি। দক্ষিণ ২৪ পরগনার রায়দিঘি বিধানসভার নগেন্দ্রপুরের পূর্ব শ্রীধরপুর এলাকায় ‘মুক্তি সাপোর্ট স্কুল’ ও ‘মুক্তির কিশলয় সাপোর্ট স্কুল’ সাড়া ফেলেছে।
প্রান্তিকপড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছে মুক্তি। অর্থনৈতিক ও ভৌগোলিক প্রতিকূলতার কারণে সুন্দরবনের বহু ছাত্রছাত্রী নিয়মিত পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ে। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই মুক্তির উদ্যোগে পঞ্চম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু হয়েছে ‘মুক্তি সাপোর্ট স্কুল’। পাশাপাশি প্রথম শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত খুদে পড়ুয়াদের জন্য শুরু হয়েছে ‘মুক্তির কিশলয় সাপোর্ট স্কুল’।
প্রতিটি স্কুলেই ছাত্রছাত্রীদের জন্য রাখা হয়েছে দুপুরে বিভন্ন ধরনের সুস্বাদু আহার, বুক-গ্রান্টের ব্যবস্থা, যাতে বইপত্র ও শিক্ষাসামগ্রীর অভাবে কোনো পড়ুয়ার পড়াশোনা থমকে না যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এই উদ্যোগ বহু পরিবারের আর্থিক চাপ অনেকটাই লাঘব করেছে।
বিশিষ্ট সমাজকর্মী শংকর হালদারের উদ্যোগ মুক্তি শিক্ষাক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায় রচনা করছে। স্থানীয়দের আশার আলো হয়ে উঠেছে মুক্তি। এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে পড়ুয়াদের স্কুলছুট হওয়ার হার কমাতে বড় ভূমিকা নেবে বলে মত স্থানীয় বাসিন্দাদের।






