রাজ্যের খবর

Bandh Clash: বিজেপির ডাকা বন্ধে স্তব্ধ খেজুরি, পুলিশের সঙ্গে বচসা কর্মীদের

Bandh Clash unfolds as BJP workers enforcing a 12‑hour shutdown in Khajuri clash with police near Khajuri Vidyapith, disrupting local life and sparking tensions.

Truth Of Bengal: আবারো বিজেপি কর্মী ও সমর্থকদের দাদাগিরির চিত্র এলো প্রকাশ্যে। ১২ ঘন্টা বন্ধকে কেন্দ্র করে খেজুরিতে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়ান গেরুয়া শিবিরের বন্ধ সমর্থনকারীরা(Bandh Clash)। এরপর তা পরিণত হয় ধস্তাধস্তিতে। বিজেপির ডাকা বন্ধে সমস্যায় পড়ছে সাধারণ মানুষ, তা দেখেই ময়দানে নামে পুলিশ এবং তাঁদের বাধা দেওয়া হয়। এরপরই ঘটনাটি ঘটে এবং তা কেন্দ্র করে একপ্রকার রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। অশান্তির সূত্রপাত গত শুক্রবারে। খেজুরির ভাঙনমারিতে একটি জলসা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অনেকেই যোগ দিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ২৩ বছর বয়সী সুজিত দাসের এবং বছর পঞ্চাশের বেশি বয়সের সুধীরচন্দ্র পাইক। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় দুজনের। তবে নিহতদের পরিবারের বক্তব্য যে এটি অঘটন নয়, বরং ইচ্ছাকৃত এবং পরিকল্পিতভাবেই হয়েছে। ঘটনায় খেজুরি ২ নম্বর ব্লকের সভাপতি সমুদ্ভব দাস সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলেও নেওয়া হয়নি পদক্ষেপ। এসডিপিও এটিকে দুর্ঘটনার তকমা দিয়েছেন।

[আরও পড়ুনঃ Relationship Meaning: আধুনিক জীবনে সম্পর্কের সঙ্কট]

এই ঘটনায় বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং দাবি করেন যে পরিকল্পনা করে হত্যা করা হয়েছে হিন্দুদের। শুধু তাই নয়, তিনি আইনি পথে হাঁটারও হুঁশিয়ারি দেন(Bandh Clash)। এরপরই ১২ ঘন্টা খেজুরি বন্ধের ডাক দেওয়া হয় গেরুয়া শিবিরের তরফ থেকে। বন্ধকে কেন্দ্র করে এলাকার পরিস্থিতি বেশ শুনশান। যেমন খালি রয়েছে রাস্তাঘাট, তেমনি বন্ধ রয়েছে সমস্ত দোকানও। এখানেই শেষ নয়, কোনরকমের অশান্তি যাতে না হয়, সেই কারণে অজস্র পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে রাস্তাতেও।

FB POST: https://www.facebook.com/truthofbengal

তবে তাতেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি। বন্ধকারী বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে প্রতিবারের মতো এবারও পুলিশ বচসায় জড়ায় পুলিশ, যা চোখের নিমেষেই নেয় ধস্তাধস্তির রূপ। ঘটনাটি ঘটেছে খেজুরি বিদ্যাপীঠের কাছে(Bandh Clash)। ফলের পেটি রেখে হেঁড়িয়া-খেজুরি রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন গেরুয়া শিবিরের একাধিক কর্মী। যাতায়াতের সমস্যা হতে দেখে তাঁদের ওঠাতে যায় পুলিশ এবং তখনই শুরু হয় তর্কাতর্কি। পরে ধস্তাধস্তি হয় দুই পক্ষের মধ্যে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে আতঙ্কে ছায়া নেমে এসেছে স্থানীয়দের উপর। এক কথায় বলতে গেলে বেশ ভয় পাচ্ছেন সকলে।