
The Truth of Bengal: বারবার বলা সত্বেও কেন্দ্র বাংলার টাকা আটকে রেখেছে। অভিযোগ, একশদিনের প্রকল্প থেকে আবাস যোজনা,গ্রামীন রাস্তা থেকে জিএসটির ক্ষতিপূরণ বাবদ অর্থও দিচ্ছে না কেন্দ্রের সরকার।১লক্ষ ১৫হাজার কোটি টাকা আটকে রাখায় বাংলা বিকল্প পথ নিতে বাধ্য হয়েছে।তাই তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে বঞ্চনার বিরুদ্ধে রবিবার রাজ্য জুড়ে ব্লক স্তরে তৃণমূলের প্রতিবাদ কর্মসূচি নেওয়া হয়। পশ্চিমবঙ্গের ৩৪২টি ব্লকে দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত এই কর্মসূচি পালন করে তৃণমূল কংগ্রেস।বিভিন্ন জেলার মতোই কলকাতাতেও চলে শান্তিপূর্ণ গণ-অবস্থান।শ্যামবাজারে শশী পাঁজা, চেতলায় মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম থেকে বরাহনগরে বিধায়ক তাপস রায়— জায়গায় জায়গায় দুপুর থেকে অবস্থান বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন।
আবাস এবং ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে বাংলাকে বঞ্চনার অভিযোগে মোদী সরকারকে নিশানা করেন তাঁরা। উঠে আসে মণিপুর নিয়ে কেন্দ্রের অবস্থানের প্রসঙ্গও। শশী পাঁজা তাই বাংলা বিরোধী চক্রান্তের রাজনীতির জন্য বিজেপিকে তুলোধনা করেন।ডাক দেন,এবার নো ভোট টু বিজেপি কার্যকর করুক রাজ্যের মানুষ। শিল্প-বাণিজ্য মন্ত্রী শশী পাঁজা আবার রাজ্যের বিরোধী দলগুলিকেও নিশানা করেন। তিনি বলেন, ‘‘ওরা হয় আদালতে যায়, না হলে রাজ্যপালের কাছে যায়। বাংলার মানুষের জন্য কিছু করে না।’’ চেতলার সভায় ফিরহাদ হাকিম তোপ দাগেন বিজেপিকে।হিংসার রাজনীতি আমদানি করার জন্য তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।বলেন,তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে,লড়ছে বাংলা।ইর্ষার বশে বিজেপি বাংলার প্রতি বিভাজনের কৌশল নিচ্ছে।তাই মণিপুর থেকে এজেন্সি ইস্যু,বাংলাকে আর্থিক অবরুদ্ধ করার ছক,সব ইস্যুতেই মুখ খোলেন ফিরহাদ হাকিম।
জেলাতেও ব্লকে ব্লকে অবস্থান থেকে একযোগে দাবি আদায়ের সুর তীব্রতর হয়।কেন রাজ্যের মানুষ কাজ করেও টাকা পাবে না,কেন স্বচ্ছতার সঙ্গে তালিকা পাঠানোর পরেও কেন আবাসের টাকা আটকে রাখা হয়েছে সেই প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল নেতৃত্ব। নদিয়ার নবদ্বীপের অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই আওয়াজ তোলা হয়।ইন্ডিয়া জোট ভবিষ্যত ভারতকে নতুন রূপ দেবে,বলেন নবদ্বীপের পুর চেয়ারম্যান পুন্ডরীকাক্ষ সাহা। মালদা শহরের ঝলঝলিয়া এলাকায় ডি.আর.এম অফিস পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিক্ষোভ অবস্থান ও ধর্না-কমসূচিতে শামিল হন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। বারাসত থেকে বসিরহাট,কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ অবস্থান মঞ্চ থেকে বাংলার দাবি আদায়ের ডাক আরও জোরদার হল।দাবি না মিটলে তৃণমূল নেতৃত্ব দিল্লি চলোর ডাকও দিতে পারেন।






