Tagore Heritage: প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর, কি আছে চিঠিতে?
কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। আবেদন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
জয় চক্রবর্তী: বাংলাদেশের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বসতবাড়ি ভেঙে ফেলা হয়েছে (Tagore Heritage)। বিষয়টি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করুক। আবেদন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুদিন আগে বাংলাদেশে এই ধরনের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধুমাত্র ভারতবর্ষের নয়, গোটা পৃথিবীর কাছে এক দৃষ্টান্তমূলক ব্যক্তিত্ব। তার বসতবাড়ি এভাবে ভেঙে ফেলা যথেষ্ট দুর্ভাগ্যজনক বলেই মনে করছেন মুখ্যমন্ত্রী (Tagore Heritage)। আর সেই কারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন করেছেন।
[আরও পড়ুন: Spirit Movie: দীপিকার পর অল্লূু অর্জুন! সন্দীপ ভাঙ্গার ছবি থেকে বাদ দক্ষিণী সুপারস্টার]
সেই চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, “আমি গভীর বেদনা ও ক্ষোভের সঙ্গে আপনাকে জানাতে চাই যে, বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জে গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি ঐতিহাসিক পৈতৃক ভিটেমাটিতে ভয়ঙ্কর ধ্বংসাত্মক হামলার ঘটনা ঘটেছে। জীবদ্দশায় ঠাকুর এই স্থানে বহুবার এসেছেন, এবং তাঁর বহু অমর সৃষ্টি এখানেই রচিত হয়েছে। তাঁর সৃষ্টিশীলতা এই পৈতৃক ভিটের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল। এই জায়গাটি ধ্বংস করা মানে শুধুই একটি বাড়ি নয়, বরং উপমহাদেশের সৃষ্টিশীলতার এক উজ্জ্বল বাতিঘরকে আঘাত করা (Tagore Heritage)। এই ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনা শুধু মর্মান্তিক নয়, বরং আমাদের জাতীয় গৌরব ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উপর একটি বর্বর আক্রমণ। এটি আমাদের অনুভূতি, ঐতিহ্য, এবং ঠাকুরের অমর সৃষ্টির প্রতি আমাদের নস্টালজিয়ার ওপর আঘাত। স্বদেশী আন্দোলনের সময় ঠাকুর এই পৈতৃক স্থানের প্রাঙ্গণ থেকে Partition of Bengal-এর বিরুদ্ধে উচ্চকণ্ঠে প্রতিবাদ করেছিলেন।”
সেই সঙ্গে তিনি আরও যুক্ত করেছেন, “বাংলার মানুষের কাছে, এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উত্তরাধিকারকে আঘাত করার একটি মারাত্মক ঘটনা। বাংলার ভাষা ও সাহিত্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদানের জন্যই এত সমৃদ্ধ। ঠাকুরের পৈতৃক ভিটেকে লক্ষ্য করে হামলা করা মানে সেই অমর সৃষ্টির মূল শিকড়ে আঘাত হানা, যা বিশ্ববাসীকে ঐক্যবদ্ধ করেছিল। আমি বিনীত অনুরোধ করছি, আপনি যেন বিষয়টি প্রতিবেশী দেশের সরকারের সঙ্গে দৃঢ়ভাবে উত্থাপন করেন, যাতে এই বর্বর ঘটনার দোষীদের কঠোরভাবে বিচার করা যায় এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক স্তরে তীব্র প্রতিবাদ জানানো যায়। যদিও অনেক ক্ষতি ইতিমধ্যেই হয়ে গেছে, তবুও এমন প্রতিরোধ ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের উপর আঘাত ঠেকাতে সাহায্য করবে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধুমাত্র বাংলার নয়, সমগ্র বিশ্বের গর্ব (Tagore Heritage)।”






