আলু সংরক্ষণে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের, নির্দেশিকা নবান্নের
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের (ডিএম) তত্ত্বাবধানে এই সংরক্ষিত জায়গা বরাদ্দ করা হবে।
Truth of Bengal: আলু তোলার মরসুমে ছোট ও প্রান্তিক চাষিদের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গ কোল্ড স্টোরেজ (লাইসেন্সিং অ্যান্ড রেগুলেশন) আইন, ১৯৬৬–এর ধারা ২০সি অনুযায়ী জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজ্যের সমস্ত আলু কোল্ড স্টোরেজে মোট সংরক্ষণ ক্ষমতার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ জায়গা ছোট ও প্রান্তিক চাষিদের জন্য সংরক্ষিত রাখতে হবে।
আলু সংরক্ষণে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের, নির্দেশিকা নবান্নের pic.twitter.com/mi1bxxd7xv
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) February 14, 2026
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ২০ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের (ডিএম) তত্ত্বাবধানে এই সংরক্ষিত জায়গা বরাদ্দ করা হবে। আবেদন করলে জেলাশাসকরা কেসিসি/কৃষকবন্ধু আইডি বা চলতি বছরের ‘বাংলা শস্য বীমা যোজনা’র নথিপত্র থাকা ছোট ও প্রান্তিক আলু চাষিদের মধ্যে সংরক্ষিত কোল্ড স্টোরেজ স্পেস বণ্টন করবেন।প্রতি চাষি সর্বাধিক ৩৫ কুইন্টাল (৭০ বস্তা) আলু নিজের নামে সংরক্ষণ করতে পারবেন। ‘আগে এলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে এই সংরক্ষিত জায়গা বরাদ্দ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।তবে ২০ মার্চ ২০২৬–এর পর সংরক্ষিত অংশের অব্যবহৃত জায়গা কোল্ড স্টোরেজ মালিকরা ব্যবহার করতে পারবেন।
এ ক্ষেত্রে তাদের কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি, সাধারণ নিয়ম মেনে অন্যান্য চাষি বা ভাড়াটেরাও উপলব্ধ সাধারণ জায়গায় আলু সংরক্ষণ করতে পারবেন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, আইন অনুযায়ী ২০২৬ সালের ১ মার্চ থেকে কোল্ড স্টোরেজে আলু তোলা শুরু করতে হবে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে আলু চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং পরবর্তী সময়ে কালোবাজারি রোধে সহায়তা মিলবে বলেই প্রশাসনিক মহলের অভিমত।






