এই নিয়ম না মানলে অবসরপ্রাপ্ত পুরকর্মীদের জন্য কড়া পদক্ষেপ, ঘোষণা মেয়রের
Pension will be stopped says mayor

The Truth of Bengal: অবসরপ্রাপ্ত একাংশ পুরকর্মীদের ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে কলকাতা পুরসভা। সূত্রের খবর, এখনও অনেক পুরকর্মী রয়েছেন, যাঁরা অবসরের পরেও আবাসন দখল করে বসে রয়েছেন। কেউবা, নিজের চাকরি জীবনে ফ্ল্যাট কিনে অন্যত্রে চলে গিয়েছেন, অথচ আবাসনের ঘর অন্য কাউকে ভাড়া দিয়ে মোটা টাকা রোজগার করছেন। পুরোপুরি মৌরসীপাট্টা বানিয়ে নিয়েছে। আর এই বিষয়টি নজরে আসার পর ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্বয়ং মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, যাঁরা অবসর গ্রহণের পরেও আবাসনের ঘর দখল করে রয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়া হবে। এবং পেনশন বন্ধের আপিল করা হবে।
পুরসভা সূত্রের খবর, একাংশ অবসরপ্রাপ্তকর্মীর এই কর্মকাণ্ডের জন্য, আগামী দিনে নতুন বিধি আনারও চেষ্টা করা হচ্ছে। মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, যে সমস্ত কর্মীরা বর্তমানে আবাসন আছেন, তাঁরা অবসর নেওয়ার পর ফ্ল্যাটের চাবি তুলে দেবেন বরোর কার্যনির্বাহী ইঞ্জিনিয়ারের হাতে। সেই আধিকারিক দখলমুক্ত শংসাপত্র দেওয়ার পরেই, অবসরপ্রাপ্ত কর্মী সমস্ত সুযোগ সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তারপরেই চালু হবে পেনশন।
সম্প্রতি ১২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মীনাক্ষী গঙ্গোপাধ্যায় এই বিষয়টি নিয়ে পুরসভার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরা পুরসভার স্টাফ কোয়ার্টার্স দখল করে রাখার জন্য বর্তমান পুরকর্মীরা ঘর পাচ্ছেন না। দেখা গিয়েছে, অনেকেই আবাসনের ঘর নিজেদের মতো, ভেঙেচুরে সাজিয়ে নিয়েছেন।
বিষয়টি নজরে আসার পরেই প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন মেয়র। তিনি সাফ জানিয়েছেন, পুরসভার হাতে এতো টাকা নেই, যে পুরসভার আবাসনগুলিতে বাইরের লোক এসে থাকবে, আর তার রক্ষণাবেক্ষণ করে যাবে পুরসভা। আবাসনগুলির দখলমুক্ত করতে স্থানীয় থানার সহযোগিতায় পদক্ষেপ করবে পুরসভা। যদি দেখা যায়, কোনও অবসরপ্রাপ্ত কর্মী, নিজের নামে ফ্ল্যাট ধরে রেখে বাইরের লোককে ভাড়া দিয়েছেন, তাদের পেনশন বন্ধের আইনানুগ পদক্ষেপ করা হবে।






