কলকাতা

Messi Event: যুবভারতীতে মেসির অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা নিয়ে জনস্বার্থ মামলার শুনানি পিছিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট

তবে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে অন্য মামলায় ব্যস্ত থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে শুনানি স্থগিত রাখা হয়।

Truth of Bengal: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিশ্বজয়ী ফুটবলার লিওনেল মেসির অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় দায়ের হওয়া জনস্বার্থ মামলার শুনানি পিছিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে বৃহস্পতিবার এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। তবে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে অন্য মামলায় ব্যস্ত থাকায় তাঁর অনুপস্থিতিতে শুনানি স্থগিত রাখা হয়।

গত ১৩ ডিসেম্বর সল্টলেক স্টেডিয়ামে মেসির উপস্থিতিতে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তার তদন্তে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি অসীমকুমার রায়ের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি (SIT) গঠন করেছে। আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় এই কমিটি গঠনের আইনি বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এই সংক্রান্ত আরও দুটি পৃথক মামলাও দায়ের হয়েছে, যেগুলির শুনানি এদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার প্রেক্ষাপটে জানা গিয়েছে, মেসির সফরের দিন সল্টলেক স্টেডিয়ামে টিকিটের আকাশছোঁয়া দাম থাকা সত্ত্বেও হাজার হাজার ভক্ত প্রিয় ফুটবলারকে দেখতে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু অভিযোগ ওঠে, মেসি মাঠে প্রবেশের পর ভিআইপি এবং প্রভাবশালীদের ভিড়ে সাধারণ দর্শকরা কিছুই দেখতে পাননি। এর ফলে জনবিক্ষোভ চরম আকার নেয় এবং উন্মত্ত জনতা গ্যালারির চেয়ার ভাঙচুর ও জলের বোতল ছোঁড়াসহ ব্যাপক তাণ্ডব চালায়। পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্টে স্টেডিয়ামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা জানানো হয়েছে।

এই ঘটনার দায় মূলত উদ্যোক্তা সংস্থা ‘শতদ্রু দত্ত ইনিশিয়েটিভ’-এর ওপর বর্তেছে। গোলমালের খবর ছড়িয়ে পড়ার সময় মূল উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত কলকাতা থেকে হায়দরাবাদের বিমানে ওঠার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দমদম বিমানবন্দরেই তাঁকে পুলিশ আটক করে এবং পরে সিআইএসএফ-এর সহযোগিতায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। বর্তমানে তিনি ১৪ দিনের পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। মামলার পরবর্তী শুনানিতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করা হতে পারে।